দাপুটে জয়ে আবারো শীর্ষে খুলনা টাইটান্স

0
92

দাপুটে জয়ে আবারো শীর্ষে খুলনা। গতকাল রজশাহীর বিপরিতে মাত্র ৫ উইকেটে করল ২১৩ রান করে খুলনা । এই পাহাড় সমান রানের বিপরীতে রাজশাহী জবাবটা ভালো দিচ্ছিল। কিন্তু খুলনার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাঝপথে পথ হারায় রাজশাহী। ৬৮ রানের পরাজয়ে বিপিএলের ষষ্ঠ পরাজয়ের স্বাদ পেতে হল পদ্মাপাড়ের দলটিকে। এ ম্যাচের আগে ঢাকা ডায়নামাইটসের কাছে শীর্ষস্থান হারিয়েছিল খুলনা। বিশাল জয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে আবারো শীর্ষে উঠল খুলনা। নবম ম্যাচে এটি খুলনার ষষ্ঠ জয়। একটি ম্যাচ তাদের পরিত্যক্ত হয়েছিল। হেরেছে ২টি ম্যাচে। টস জিতে শিশিরের ভাবনায় খুলনাকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিলেন রাজশাহীর অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। কিন্তু তার সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণিত করেন দুই তরুণ তুর্কী নাজমুল হোসেন শান্ত ও আফিফ হোসেন।

দুই বাঁহাতি যেভাবে ২২ গজের ক্রিজে ব্যাটিং করেছেন তাতে চোখ কপালে উঠার উপক্রম! শান্ত ৩১ বলে ৪৯ রান করে ফিরেন ফ্রাঙ্কলিনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে। আর আফিফ হোসেন ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি তুলে অপরাজিত থাকেন ৫৪ রানে। ৩৮ বলে ৫ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান যুব দলের এ অলরাউন্ডার। চতুর্থ উইকেটে তাকে দারুণ সঙ্গ দেন ম্যাচসেরা নির্বাচিত হওয়া নিকোলাস পুরান। এ দুজন ৮৮ রানের জুটি গড়েন মাত্র ৪৩ বলে। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নিকোলাস পুরান ২৬ বলে করেন ৫৭ রান। ৬টি চার ৩টি ছক্কা হাঁকান পুরান। খুলনার ইনিংসের শেষটা রাঙিয়ে দেন দীর্ঘদেহী কার্লোস ব্রেথওয়েট। ব্যাট হাতে ধ্বংসযজ্ঞ চালান ব্রেথওয়েট। মাত্র ১৪ বলে ২৪২ স্ট্রাইক রেটে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৪ রান করেন।

বল হাতে রাজশাহীর হয়ে মোহাম্মদ সামি বাদে প্রত্যেকেই ৪ ওভারে চল্লিশের উপর রান দিয়েছেন। সবথেকে বেশি খরুচে ছিলেন জেমস ফ্রাঙ্কলিন। ৫০ রানে নেন ৩ উইকেট। মোহাম্মদ সামি ছিলেন একমাত্র ব্যতিক্রম। ৪ ওভারে ২২ রানে নেন ১ উইকেট। তার স্পেলে ডট বল ছিল ১২টি। মুস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে ১০টি ডট বল দিলেও ৪৮ রান খরচ করে ছিলেন উইকেট শূন্য। রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন রনি তালুকদার। ২৯ রান আসে মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাট থেকে। ব্যাটসম্যানরা ভালো শুরু পেলেও কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে বড় ব্যবধানে হারের তিক্ত স্বাদ পেতে হয়েছে তাদেরকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here