যৌন প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঝর্ণাকে হত্যা করা হয় !

0
5289

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ যৌন লিপ্সা চরিতার্থ না করতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে ঝর্ণা আক্তারকে (২৭) হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হত্যাকারী বাবুল মৃধা (২০) ও সুমন সেক (২৩)। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১টায় জেলা পুলিশ সুপার সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুল্লাহ আল মামুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহসান শাহ, আব্দুল হান্নন, জাজিরা থানা অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক।

জানাগেছে, হত্যাকারী বাবুল মৃধা মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার কামারগাও গ্রামের মান্নান মৃধার ও সুমন সেক জাজিরা উপজেলার মানিক নগর সিমুল তলা গ্রামের কলম সেকের পুত্র। উভয়ই উপজেলার লাউখোলা বাজারে ইলিয়াস মাদবরের ফার্নিচার দোকানে বার্ণিশ মিস্ত্রী ও ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতো। নিহত ঝর্ণা জীবিকা নির্বাহের জন্য একই বাজারে সিরাজ খার ক্লিনিকে (ডায়াগনষ্টিক সেন্টার) ঝাড়–দার ও বাবুর্চির কাজ করত। সে সুবাদে হত্যাকারীদের সাথে ঝর্ণার পরিচয় ও ফোনালাপ হতো।

গত ৩ ফেব্রুয়ারী সকালে ঘণ কুয়াশা ভেদ করে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় হত্যাকারীদ্বয় ঝর্ণার পথরোধ করে। ধর্ষনের চেষ্টা করে। ঝর্ণা চিৎকার কারায় সুমন ঝর্ণার গলা টিপে ধরে মাটিতে ফেলে দেয় আর বাবুল মাটির সাথে ঝর্ণার পা চেপে ধরে। এ ভাবেই ঝর্ণার মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে লাশ গুম করার উদ্দেশে মুলনার জব্বার সিকদারের ধনিয়া ক্ষেতে ঝর্ণার লাশ ফেলে যায়।

ঘটনার পর থেকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুনিদের ধরতে সক্ষম হয় পুলিশ। পুলিশ সুপার বলেন, যৌন লিপ্সা চরিতার্থ করতে না পেরে গলা টিপে ঝর্ণাকে হত্যা করেছে। লাশের গলায় ছাড়া আর কোন আঘাতের চিহ্ন নাই। আসামীদের গ্রেফতার পরবর্তী হত্যার উদ্দেশ্য ও মোটিভ জানা গেছে। এ বিষয়ে নিহতের মা আফিরন বেগম মামলা করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here