উত্তেজক ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে দিল্লি জয়

0
51

দিল্লির বিরুদ্ধে উত্তেজক ম্যাচে ৪ রানের সংক্ষিপ্ত ব্যবধানে হারতে হল রাজস্থান রয়্যালসকে৷ বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ১৭.১ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান তোলে দিল্লি৷ দ্বিতীয় দফার বৃষ্টিতে আরও কিছুটা সময় নষ্ট হওয়ায় ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে জয়ের জন্য ১২ ওভারে ১৫১ রানের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় রাজস্থানের সামনে৷ শেষমেশ রাহানেদের থেমে যেতে হয় ৫ উইকেটে ১৪৬ রানে৷

কোটলার বাইশগজ এই ম্যাচে যে রকম ব্যাটসম্যানদের আনুগত্য দেখায়, তাতে ওভার প্রতি সাড়ে বারো রান করে তোলা আসম্ভব না হলেও কঠিন ছিল নিশ্চিত৷ সেই কঠিন কাজটাই সহজ করে দিয়েছিলেন জোস বাটলার৷ ব্রিটিশ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান রাজস্থানের হয়ে ওপেন করতে নেমে মাত্র ১৮ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন৷ শেষে ৪টি চার ও ৭টি ছক্কার সাহায্যে ২৬ বলে ৬৭ রান করে আউট হন তিনি৷

অপর প্রান্ত দিয়ে ডার্সি শর্ট শুরুটা ধীর গতিতে করলেও পরে ব্যাট চালিয়ে রান তোলার গতি বাড়ান৷ তিনি ২৫ বলে ৪৪ রান করে আউট হন৷ মারেন ২টি চার ও ৪টি ছয়৷ বড় রান করতে ব্যর্থ সঞ্জু স্যামসন (৩), বেন স্টোকস (১) ও রাহুল ত্রিপাঠী (৯)৷ কৃষ্ণাপ্পা গৌতম শেষবেলায় ৬ বলে ১৮ রান করে শেষ চেষ্টা করেছিলেন বটে, তবে সফল হতে পারেননি৷

বোল্টের শেষ ওভারে জয়ের ধন্য ১৫ রান দরকার ছিল রাজস্থানের৷ ওয়াইড দিয়ে ওভার শুরু হয়৷ প্রথম তিনটি বলে রান ওঠে যথাক্রমে ১, ২ ও ১৷ চতুর্থ বলে ত্রিপাঠীর উইকেট পড়ে৷ পঞ্চম বলে বাউন্ডারি হাঁকান গৌতম৷ অর্থাৎ শেষ বলে ছক্কা মারলেই ম্যাচ পকেটে পুরত রাজস্থান৷ কিন্তু এক রানেই ক্ষান্ত হতে হয় গৌতমকে৷

তার আগে দিল্লির হয়ে ২৯ বলে ৬৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋষভ পান্ত৷ তিনি ৭টি চার ও ৫টি ছক্কা মারেন৷ দলনায়র শ্রেয়স আইয়ার তিনটি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায্যে ৩৫ বলে ৫০ রান করেন৷ তরুণ পৃথ্বী শ ২৫ বলে ৪৭ রানের ধ্বংসাত্মক ব্যাটিং করেন৷ তিনি মারেন চারটি চার ও সমসংখ্যক ছয়৷ আগ্রাসী ইনিংসের জন্য ম্যাচের সেরার পুরস্কার ওঠে দিল্লি উইকেটকিপার ঋষভ পান্তের হাতে৷

রাহানেদের বিরুদ্ধে উত্তেজক জয়ের সুবাদে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও রাজস্থান রয়্যালসকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের ছ’নম্বরে উঠে আসে ডেয়ারডেভিলস৷ ৯ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট৷ ৮ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমে যায় রাজস্থান৷

(সূত্র: Kolkata24x7)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here