মানিকগঞ্জে দর্জি পাড়ায় উপচে পড়া ভীড় !

0
146

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সারা দেশের ন্যায় ঈদের আমেজে মেতে উঠেছে মানিকগঞ্জের সকল দর্জি দোকান ব্যবসা। ক্রমেই বাড়ছে ক্রেতাদের ভীড়। পোশাক তৈরিতে ক্রেতারা ছুটছেন দর্জি দোকানে। বাজার-ঘাট থেকে শুরু করে শহরতলী পর্যন্ত দর্জিরা এখন মহাব্যস্ত। বিরতিহীন সেলাই মেশিনের যান্ত্রিক শব্দ চলছে পুরো দমে। দম ফেলার সময় নেই কারিগরদের। আর এই ব্যস্ততা চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত। মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় উপচে পড়া কাজের ভীড় দেখা যাচ্ছে পাড়া মহল্লার দর্জি দোকানে। ফ্যাশন সচেতন তরুণ-তরুণীদের পোশাক তৈরীতে ব্যস্ত কারিগরেরা।

ছেলেদের শার্ট-প্যান্ট তৈরির জোগান দিচ্ছে জেলার নামকরা সব টেইলার্স গুলো। রোজার আগে থেকেই এই পোশাক তৈরির অর্ডার নেয়া শুরু হয়েছে। ১৫ই রমজানের পর অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে অনেক দর্জি দোকানিরা। কাপড়ের দাম বৃদ্ধির সাথে বাড়তি মজুরি নিচ্ছে দর্জিরা। জেলার বিলাশ, শাপলা, রয়েল, আল-মুসলিম টেইলার্স, ঘিওর, শিবালয়, দৌলতপুর উপজেলাসহ বিভিন্ন টেইলার্সে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নারী ও পুরুষদের পোশাক তৈরির কারিগরদের এখন দম ফেলার সময় নেই। কাপড় সেলাইয়ের মেশিনের শব্দ একটানা একঘেয়ে, নাকি ছন্দময় তা চিন্তারও সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে শাপলা টেনলার্সের কর্মী মো. আজিজুল হাকিম (২৬) জানান, ভাই দম ফেলার সময় নেই। সারাদিন শুধু কাজ আর কাজ। একই কথা জানান, আল মুসলিম নামের দর্জি দোকান মালিক মো. মোবারক হোসেন (৪২)।
ঈদকে সামনে রেখে রুচিশীল পোশাক বানাতে দিনরাত কাজ করছেন তারা। শার্ট, প্যান্ট ও মেয়েদের পোশাকেরই অর্ডার আসছে বেশি। টেইলার্স মালিকরা জানান, কয়েক বছর ধরেই এ শিল্পের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। ফলে মজুরির অতিরিক্ত ১৫ শতাংশ হারে গ্রাহককে ভ্যাট দিতে হচ্ছে। এসব কারণে নামীদামি টেইলার্সে মজুরি একটু বেশি। প্রকার ভেদে একটি শার্টের মজুরি ২শত পঞ্চাশ টাকা থেকে সাড়ে ৭শত টাকা নেওয়া হয়। থ্রী পিছ তৈরির মজুরি সর্বনিম্ন সাড়ে চারশত টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত।

এ বিষয়ে সাটুরিয়া উপজেলার ছনকা বাজারের ইমন টেইলার্সের মালিক মো. ফজর আলী (৩৫) জানান, বেশির ভাগ অর্ডার আসছে মহিলাদের কাছ থেকে। তরুণীরা ফিটিংস পোশাক পছন্দ করেন। এ ধরণের পোশাকের অর্ডার আসে রমজান মাসেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here