সিরিজে টিকে থাকতে পুঁজি কেবল ১৩৪

0
23

সিরিজে টিকে থাকতে জয়ের বিকল্প নেই। এমন ম্যাচে আফগানিস্তানের সামনে কেবল ১৩৫ রানের লক্ষ্যই ছুঁড়ে দিতে পেরেছে বাংলাদেশ।

প্রথম টি-টুয়েন্টিতে ৪৫ রানে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে আফগানরা।

দেরাদুনে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৪ রান তুলেছে বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল ৪৩ ও মুশফিকুর রহিমের ২২ ছাড়া বলার মত সংগ্রহ কেবল পেসার আবু হায়দার রনির ২১, ২ ছয় ও এক চারে ১৪ বলের অপরাজিত ইনিংস তার।

দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে শুরুতেই লিটনকে হারায় বাংলাদেশ। পরে সাব্বিরের উইকেট হারালেও রানের গতি সচল রাখেন তামিম-মুশফিক। একসময় বড় সংগ্রহেরই আভাস মিলছিল। রশিদ ঝড়ে যা এলোমেলো।

তামিমের সঙ্গে ওপেন করতে আসেন লিটন। বেশিক্ষণ টেকেননি। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে সাজঘরে ফেরেন। শাপুর জাদরানের বলে হুক করতে যেয়ে। বাউন্ডারির কাছে রশিদের ক্যাচ হন লিটন (১)।

ক্রিজে এসে দেখেশুনে এগোতে থাকেন সাব্বির। তিন চারে ভালোকিছুর আভাস দিচ্ছিলেন। কিন্তু ৯ বলে ১৩ রানের বেশি এগোতে পারেননি। নবির বলে শেনওয়ারির তালুবন্দী হন।

এরপরই সম্ভাবনা জাগানো এক জুটি। সেটিও অবশ্য ফিফটি পেরোয়নি। তামিমের সঙ্গে ৪৫ রান যোগ করে ফেরেন মুশফিক। নবির বলে স্টাম্পড হন ১৮ বলে ২২ করে, ইনিংসে একটি করে ছয়-চারের মার।

বিশাল ছক্কায় শুরু করা মাহমুদউল্লাহ ফিরেছেন ৮ বলে ১৪ রানে। মেরেছেন একটি করা চার-ছক্কা। জানাতের স্লোয়ার বুঝতে না পেরে বোল্ড হন।

তামিম তখনও ছিলেন। দরকার ছিল সঙ্গীর। তবে তাকে রেখে দ্রুতই ফিরে যান অধিনায়ক সাকিব। ৭ বলে ৩ করে রশিদের বলে নাজিবুল্লাহকে ক্যাচ দেন। রশিদ ১৬তম ওভারে আরও বড় সর্বনাশ করেন। ফেরান তামিম ও মোসাদ্দেককে।

পাঁচ চারে ৪৮ বলে ৪৩ করা তামিম বোল্ড হয়েছেন। আর মুখোমুখি প্রথম বলেই এলবি মোসাদ্দেক। রানের খাতাই খুলতে পারেননি এ ডানহাতি। শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান সৌম্যর অবদান সেখানে ৯ বলে ৩। হন্তারক সেই রশিদই।

আফগান লেগস্পিনার ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। মোহাম্মদ নবি সমান ওভারে দুই উইকেট নিতে দিয়েছেন কেবল ১৯ রান। আরেক স্পিনার মুজিব উর রহমান কোনো উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে খরচ করেছেন মাত্র ১৫ রান। করিম জানাত সমান ওভারে এক উইকেট নিতে দিয়েছেন ৪০।

#বাংলাটপনিউজ/আরিফ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here