সখিপুরে আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় বিবাদীর বিরুদ্ধে পূনরায় মামলা

0
49

খোরশে আলম বাবুল, শরীয়তপুর প্রতিনিধি ঃ বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে (শরীয়তপুর) ভেদরগঞ্জ সহকারী জজ আদালত বিবাদীকে কারণ দর্শাণ এবং বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে নালিশী জমিতে স্থিতি অবস্থা বজায় রাখার আদেশ প্রদান করেন। বিবাদী পক্ষ আদালতের আদেশ অমান্য করে নালিশী জমিতে ঘর নির্মাণ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করায় বাদী পক্ষ বিবাদী পক্ষের বিরুদ্ধে সিভিল জেল চেয়ে একই আদালতে পূনরায় মামলা করেছে।

এবারের মামরার বিবাদী হলেন সখিপুর ছৈয়াল কান্দি গ্রামের আবুল কালাম মোল্যার পুত্র মাহমুদুর রহমান (বড় মিয়া) (৫৫), সখিপুর নয়ন সরকার কান্দি গ্রামের মৃত হামিদ বেপারীর পুত্র জহুরুল ইসলাম (জহু) বেপারী (৪০), সখিপুর হযরত আলী মুন্সী কান্দির নুরুল্লা মোল্যার পুত্র ফজল হক মোল্যা (৫০), চরচান্দা মুন্সীকান্দি গ্রামের পচু মিয়ার পুত্র ইয়াছিন মিয়া (৪৫) ও সখিপুর আনু সরকারকান্দি গ্রামের সেরাজল সরকারের পুত্র বাচ্চু সরকার (৪৫)।

মামলার আর্জি সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই বাদী মো. আবুল বাসার মোল্যা বিবাদী মাহমুদুর রহমান (বড় মিয়া) ও তার পিতা আবুল কালাম মোল্যার বিরুদ্ধে ভেদরগঞ্জ সহকারী জজ আদালতে জোর পূর্বক জমি দখলের মামলা করেন। আদালতের বিচারক বাদীর আবেদন আমলে নিয়ে ১ নং বিবাদী মাহমুদুর রহমানকে (বড় মিয়া) ২০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর আদেশ সহ নালিশী ভূমিতে উভয় পক্ষকে স্থিতিবস্থা বজায় রাখতে আদেশ প্রদান করেন।

আদালতের জারীকারক গত ১০ জুলাই বাদী ও বিবাদী পক্ষের মধ্যে আদালতের আদেশের নোটিশ জারী করেন। নোটিশ প্রাপ্তীর পর আদালতের আদেশ অমান্য করিয়া বিবাদী পক্ষ ওই দিনই বাদীর নালিশী জমিতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া জোর পূর্বক দখল করে নেয়। পরবর্তীতে দোকান ঘর নির্মাণ করে নালিশী জতিতে রেস্টুরেন্ট ও চায়ের দোকান পরিচালনা করছে বিবাদী পক্ষ। এতে বাদীর অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে। আদালতের আদেশ অমান্য করায় বিবাদী পক্ষকে সিভিল জেলের আদেশ চেয়ে একই আদালতে পুনারয় মিস-১৬/২০১৮ মামলা করেছে বাদী আবুল বাশার মোল্যা।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, ভেদরগঞ্জ উপজেলার ৯০ নং চর সখিপুর মৌজার বিআরএস ৫৪৮ নং খতিয়ানের ১৫৫৩৬ দাগের ৩৭ শতাংশ জমি সখিপুর ছৈয়াল কান্দি গ্রামের মৃত মৌলভী এ কে আব্দুর রহমান মোল্যার পুত্র মো.আবুল বাশার মোল্যার নামীয় ক্রয়কৃত সম্পত্তি। মামলার বাদীর নামে উক্ত জমি বিআরএস চুড়ান্ত রেকর্ড হয়। বাদী ১৫৫৩৬ নং দাগের ৩৭ শতাংশ জমির মালিক হিসেবে ১৯৭৪ সাল থেকে নিজ নামে নামজারি ও সরকারি খাজনাদি পরিশোধ করে ভোগ দখল কায়েম থাকে। মামলার বিবাদী পক্ষ গত ৫ জুলাই বাদির জমি জোর পূর্বক দখল করে নেয়।

এ বিষয়ে মামলার বিবাদী মাহমুদুর রহমান (বড় মিয়া) বলেন, ওইখানে পূর্বেই দোকান ঘর ছিল। মাঝখানে কয়েকদিন ব্যবসা বন্ধ রাখা হয়েছিল। পুনরায় ব্যবসা চালু করেছে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করলে দোকানদার করেছে। সেটা দোকানদারের ব্যাপার। এ বিষয়ে দোকানদার জহিরুল ইসলাম বলেন, ৩ লাখ টাকা অগ্রিম ও মাসিক ভাড়া দিয়ে বড় মিয়া মোল্যার নির্দেশেই ব্যবসা করি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here