পগবার প্রশংসায় মরিনহো

0
58

বিশ্বকাপ শেষে ছুটি কাটিয়ে মাত্র চার দিন অনুশীলন করেই মাঠে নেমে পড়লেন পল পগবা। নামলেন কী, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জয়ের পথে রাখলেন ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও। লিস্টার সিটির বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামা এই মিডফিল্ডারের প্রশংসা ঝরল কোচ হোসে মরিনহোর কণ্ঠে।

ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন পগবা। রাশিয়া থেকে বিশ্বকাপ ট্রফি জেতার পর থেকে ছিলেন লম্বা ছুটিতে। শুক্রবার প্রিমিয়ার লিগের ২০১৮-১৯ মৌসুম শুরুর মাত্র চার দিন আগে যোগ দেন তিনি ম্যানইউয়ের অনুশীলনে। ক্লাব সতীর্থদের সঙ্গে মাত্র এই কয়েকদিনের অনুশীলন করে মাঠে নেমেই নিজের জাত চিনিয়েছেন ফরাসি মিডফিল্ডার। লিস্টারের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ের পথে তৃতীয় মিনিটে পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করে তিনিই এগিয়ে নিয়েছিলেন ‘রেড ডেভিলদের’।

প্রাক মৌসুম প্রস্তুতির একটি ম্যাচও খেলা হয়নি পগবার। বিশ্বকাপের পর ফুটবল থেকে দূরেই চলে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরও মাত্র কয়েকদিনের অনুশীলনে পাওয়া গেছে তারা সেরাটা। কোচ মরিনহো তো খুশি হবেনই। লিস্টারের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করা পগবার প্রশংসা ঝরেছে তার কণ্ঠে।

ম্যাচ শেষে পর্তুগিজ কোচ বলেছেন, ‘অবশ্যই ছেলেদের প্রাক মৌসুম প্রস্তুতিট পরিপূর্ণ ছিল। ওরা খুব ভালো অবস্থানে আছে। (লুক) শ, আন্দ্রেস পেরেইরা, (এরিক) বেইলি, (মাতেও) দারমিয়ান স্বস্তিতেই খেলেছে ৯০ মিনিট, অন্যরাও ছিল দুর্দান্ত।’ এরপর পগবা সম্পর্কে বলেছেন, ‘পগবা ছিল বিস্ময়কর। আমরা ভেবেছিলাম ও সর্বোচ্চ ৬০ মিনিট খেলতে পারবে, কিন্তু সে ৮০ মিনিট খেলেছে।’

কিন্তু লম্বা ছুটি কাটিয়ে মাত্র চার দিনের অনুশীলনে পগবাকে মাঠে নামানোটা ঝুঁকি ছিল না? মরিনহো অবশ্য জানিয়েছেন পগবার কাছ থেকে ‘সবুজ সংকেত’ পাওয়ার পরই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই কোচের বক্তব্য, ‘মোটেও কঠিন ছিল না। ওর কাছ থেকেই নেওয়া হয়েছে সিদ্ধান্তটা। কারণ আন্দ্রেস পেরেইরা ভ্যালেন্সিয়া থেকে এসেছে উইঙ্গার হিসেবে খেলে, ইউক্রেন থেকে এসে ফ্রেদ মাত্র ১০ দিন অনুশীলন করেছে, আন্দের এরেরার আবার ইনজুরি।’

সঙ্গে যোগ করলেন, ‘আমার সামনে তাই দুটো বিকল্প ছিল: স্কট (ম্যাকটোমিনি) কিংবা পগবা। কিন্তু যদি আমি স্কটকে খেলাতাম, তাহলে একসঙ্গে দুটো তরুণ খেলোয়াড় হয়ে যেত। তাই পগবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম এবং ও সঙ্গে সঙ্গে বলে দেয় প্রস্তুত।’ (গোল ডটকম)