হাতীবান্ধায় ভুয়া তথ্য, পরিবার কল্যাণ সহকারী পদে নিয়োগের পায়তারা..

0
56

শাহিনুর ইসলাম প্রান্ত, লালমনিরহাট প্রতিনিধি ঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সির্ন্দুনা ইউনিয়নে তথ্য গোপন করে দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে পরিবার কল্যাণ সহকারী পদে চাকুরী নেয়ার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় এলাকাবাসী প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। সির্ন্দুনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বলেন, ওই দুই প্রার্থী চর সির্ন্দুনা ইউনিয়নের বাসিন্দা নয়, আমিও শুনেছি তারা আবেদনে চর সির্ন্দুনার বাসিন্দা হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

অভিযোগে প্রকাশ, ওই ইউনিয়নের চর সির্ন্দুনা গ্রামের ১ ও ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা দেখিয়ে পরিবার কল্যাণ সহকারী পদে চাকুরীর জন্য আবেদন করেছেন শারমীন জান্নাত খানম ও রুমানা নাসরিন পিংকি নামে দুই ব্যক্তি। কিন্তু শারমীন জান্নাত খানমের বাড়ি হলো ওই ইউনিয়নের পুর্ব সির্ন্দুনা গ্রামের ৯ নং ওয়ার্ডে। আর রুমানা নাসরিন পিংকি’র বাড়ি হলো দক্ষিণ সির্ন্দুনা গ্রামের ৬ নং ওয়ার্ডে।

আবেদনে শারমীন জান্নাত খানম ওই ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের পরিবর্তে ১ নং ওর্য়াড ও রুমানা নাসরিন পিংকি ওই ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের পরিবর্তে ৩ নং ওয়ার্ডের বসিন্দা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আবেদনে ভুয়া তথ্য দেয়ায় ওই দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন সির্ন্দুনা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আমিনুর রহমান ও মফিজার রহমানসহ এলাকাবাসী। গত ১৯ জুন ওই পদে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং আগামী ১৭ জুলাই মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে ।

এ বিষয়ে রুমানা নাসরিন পিংকি’র স্বামী নাজমুল হুদা নয়ন জানান, আমার বাড়ী দক্ষিণ সির্ন্দুনার ৬ নং ওয়ার্ডে শুধু চাকুরী কারণে আমার স্ত্রীর ঠিকানা চর সির্ন্দুনার ৩ নং ওয়ার্ড দেখানো হয়েছে। তবে শারমীন জান্নাত খানমের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সির্ন্দুনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানান, ওই দুই জন প্রার্থী মিথ্যা তথ্য দিয়ে চাকুরীর জন্য আবেদন করেছে। এলাকাবাসী তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগও করেছেন। আমি জেলা প্রশাসককের কাছে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী করেছি।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ জানান, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here