দেবর ও ভাবি পরকীয়ার বলি বড় ভাই

0
56

৯ বছর ধরে ভাবি কাজল রেখার(৩০) সঙ্গে পরকীয়া প্রেম চলছিলো দেবর আজমল হক মিন্টুর। এতে বাধা হয়ে দাঁড়ান বড় ভাই মনিরুজ্জামান মনির ওরফে মনু (৩৫)। ভাবি ও দেবর মিলে পথের কাটা মনুকে সরাতে ৩ জন খুনি ভাড়া করে মুনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় পুলিশ নিহত মনুর স্ত্রী কাজল রেখা, তার দেবর আজমল হক মিন্টু ও ৩ ভাড়াটিয়া খুনি আব্দুল মান্নান, সোহাগ ও ফাহিমকে আটক করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি ছুরি ও মনুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন। শনিবার গুলশান বিভাগের ডিসির অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিসি মোস্তাক আহমেদ এসব তথ্য জানান।

এর আগে বিগত ৮ সেপ্টেম্বর শনিবার রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন সাতারকুল এলাকায় রাস্তার পাশে গলা ও পেটে ছুরিকাঘাত করা একটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ঢামেকে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে গেলে অভিযুক্ত ছোট ভাই আজমলই নিশ্চিত করেন এটি তার বড় ভাই মনিরুজ্জামান মনির ওরফে মনুর মরদেহ।

ডিসি মোস্তাক আহমেদ বলেন, নিহতের স্ত্রী ও তার ছোট ভাই আজমল হক পিন্টুর মধ্যে ৮-৯ বছর ধরে পরকীয়া প্রেম চলছিল। তাদের এই সম্পর্কের মাঝের বাধা সরানোর জন্য ১ লাখ টাকার বিনিময়ে ঢাকার ৩ জন ভাড়াটিয়া খুনির সঙ্গে চুক্তি করে দেবর-ভাবি। তারা খুনিদের অগ্রিম ৩০ হাজার টাকাও দেয়। পরে সুযোগ মত খুনিরা মনিরুজ্জামান মনির উরুফে মনুকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।

খুনের পরিকল্পনাকারী দেবর ও ভাবি নিজেদের ওপর থেকে সন্দেহের তীর এড়ানোর জন্য বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরো বলেন, মামলাটি তদন্তের একপর্যায়ে দেবর-ভাবিকে পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে নিহতের স্ত্রী কাজল রেখাকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তীতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর সে এই খুনের পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেন।

সে এবং তার দেবর আজমল মিলে কিভাবে হত্যার পরিকল্পনা করে এবং খুনিদের দিয়ে কীভাবে বাস্তবায়ন করেন তার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here