দাপুটে জয়ে এশিয়া কাপ শুরু টাইগারদের

0
170

দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক শ্রীলঙ্কাকে ১৩৭ রানে উড়িয়ে এশিয়া কাপের মিশন শুরু করলো টাইগাররা। দেশের বাইরে এটিই টাইগারদের সবচেয়ে বড় জয়।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। প্রথম ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলটা শেষ পর্যন্ত অলআউট হওয়ার আগে স্কোর বোর্ডে যোগ করে ২৬১ রান। মুশফিকুর রহীম খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ১৪৪ রানের ইনিংস। জবাব দিতে নেমে টাইগার বোলারদের তোপে শুরু থেকেই দিশেহারা শ্রীলঙ্কা। মুশফিকের জন্য আজকের দিনটি স্পেশাল।

শ্রীলংকা ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। ২৫ ওভারের মধ্যেই ৮টি উইকেট হারিয়ে পুরো টিম যেন হতাশ হয়ে পড়ে। রান ছিল তখন ৯৬। এরপর আর বেশিদূর যেতে হয়নি। দুর্দান্ত বোলিং আর ফিল্ডিংয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই বাকি দুই উইকেট হারিয়ে মাঠ ছাড়ে শ্রীলংকানরা।

বল হাতে মারশাফি যেমন আজ ত্রাস ছড়িয়েছেন, ঠিক তেমনি মোস্তাফিজ আর মেহেদী হাসান মিরাজের বল লংকানদের রীতিমতো আজ ঘাম ছুটিয়ে দিয়েছে। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে টাইগাররাও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল। শুরুতেই শূন্য রানে আউট হয়ে যান লিটন দাস। এর পরই শূন্য রানে ফেরেন সাকিব আল হাসান।

পর পর দুটি উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন চাপের মুখে ঠিক তখনই ঘটে যায় আরেকটি দুঃজনক ঘটনা। ব্যাটিংয়ের শুরুতেই হাতের কবজিতে চোট নিয়ে ২ রানে মাঠ ছাড়েন তামিম ইকবাল। এরপর মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুন জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। মুশফিকের তুফান তোলা ব্যাটিংয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে লংকান বোলাররা। ৬৮ বলে ৬৩ রান করে মালিঙ্গার বলে বিদায় নেন মিঠুন।এরপর মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক, মিরাজ, মাশরাফি, রুবেল অল্প ব্যবধানে ফিরে যান।

কবজিতে চোট নিয়ে মাঠ ছেড়ে যাওয়া তামিম ইকবাল সবাইকে অবাক করে দিয়ে ফের মাঠে নামে এক হাতে ব্যাণ্ডেজ নিয়েই। ব্যাটও করে এক হাতেই। এ ঘটনা বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে ব্যাপক নাড়া দেয়। কারণ সংবাদ ছিল তামিম আর এ টুর্নামেন্টে খেলতে পারবেন না। কিন্তু হাতে ব্যান্ডেজ নিয়ে এক হাতে ব্যাট ধরার সাহস একমাত্র তামিম ইকবালেরই আছে, হয়তো এ কথা জানান দিতেই মাঠে নামেন তামিম। তবে তার সাহসের চেয়ে দেশের জন্য আহত অবস্থায় এক হাতে ব্যাট ধরার প্রশংসা করেন সবাই।

অন্যদিকে মুশফিকও পায়ে চোট নিয়ে খেলেছেন পুরো ইনিংস। মাত্র তিন বল বাকি থাকতে ১৪৪ রান করে তিনি আউট হন। দলের সংগ্রহ হয় ২৬১।