আ. লীগের একজন নির্যাতিত ত্যাগী নেতার কথা

0
237

নিজস্ব প্রতিবেদক: যিনি ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন, পর পর দুই দুইবার উপজেলা আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী হয়ে উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসাবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।

তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতি থাকে শুরু করে উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দলের জন্য কাজ করে গেছেন। তার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসাবে বেপক ভুমিকা রেখেছেন। কথা বলছিলাম ইসলামপুর উপজেলার আওয়ামীলীগের নেতা শফিকুল আলম দুলাল কে নিয়ে।

তার ছেলে রকিবুল হাসান রাসু জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক এবং ঢাকাস্থ ইসলামপুর উপজেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সভাপতি।

ইসলাপুর উপজেলার নানা পেশার মানুষের থেকে জানা যায়, তিনি এক সময় তার নিজ অর্থায়নে ইসলামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ পরিচালনা করেছেন। সারা উপজেলায় তার একটা ভালো সুনাম রয়েছে। সবাই বলে সে একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান, অনেক ভালো মনের একজন মানুষ।

তার ছেলে রাকিবুল হাসান রাসুর সাথে মুঠোফোনে কথা বলে যানতে পারি তিনি ২০০১ এর নির্বাচনে তার বড় ভাই ও তার বাবা তিনটি মামলার আসামি ছিলেন। তিনি বলেন কন কনে শীতের রাতে মানুষের ভাঙ্গা ঘরে একেক দিন একেক বাড়িতে থাকতে হয়েছে। বিএনপি/জামায়াতের তান্ডব লিলায় থাকতে পারেনি বাড়িতে কোন ছেলে মানুষ।

তিনি আরও বলেন, ইসলামপুরের সকল জনগণ আমার বাবাকে অনেক ভালোবাসে কিন্তু দলীয় অবমূল্যায়নের কারনে জনগণের চাওয়া পাওয়া পুরোন করতে পারেনি।

শফিকুল আলম দুলালের সাথে কথা বলে জানতে পারি জিয়াউল হক জিয়া ও স্থানীয় এমপি ফরিদুল হক খান দুলাল উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে ।জিয়াউল হক জিয়া তার বন্ধু হিসাবে এবং একজন সাংগঠনিক নেতা হিসাবে জিয়াউল হক জিয়ার প্রস্তাব কারি হন। এটাই তার কাল হয়ে দাড়ায়। বঞ্চিত করে উপজেলা আওয়ামীলীগের কমিটি থেকে। বিএনপির উপজেলা চেয়ারম্যান থাকার পরো উপজেলার সকল সুযোগ সুবিধা থাকে বঞ্চিত করে। তার ছেলে রিটেনে পাশ করার পরো চাকরি না দিয়ে বিভিন্ন কিছুর বিনিময়ে চাকরি দেয় আরেকজনকে।

তিনি আরও বলেন, ২০০১ এর নির্বাচনে শফিকুল আলম দুলাল সাহেবের সাথে যারা সবসময় দলীয় কাজে লিপ্ত ছিলো তারা মোট ৪৮ জন ৩টা মামলার আসামি। ৬ জন ১৫দিন করে জেল খেটেছেন এখন তারা তাকে প্রশ্ন করলে দিতে পারেনা কোন উত্তর।

শফিকুল আলম দুলাল প্রশ্ন করে বলেন, এতো কিছু করার পরো দল তাদের কি দিলো? যারা বিএনপি / জামাতের নির্যাতনের শিকার হয়েছে তারা আজ কোথায়? কেনো এ ধরনের নেতাদের অবমূল্যায়ন করা হলো, কি দোষ ছিল তার?