হাতছানী দিচ্ছে মরনঝুঁকি সংস্কারবিহিন ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কে

0
17

হাফিজুল ইসলাম লস্কর : সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকির মাধ্যে রয়েছে। সময়মতো সংস্কার ও তদারকির অভাবে ব্যবহারনুপোযি হয়ে পড়েছে যোগাযোগের মাধ্যম এই রাস্তাগুলো।

অধিকাংশ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারবিহিন অবস্থায় চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। আর সেই চলাচল উপযোগী রাস্তা দিয়ে মরনঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে হাজারো যানবাহন ও লক্ষযাত্রী। মরনাপন্ন সড়কের কারনে দূর্ভোগে পড়েছেন উপজেলাবাসী। সংকটকালীন সময়ে সেই এই দুর্ভোগ মরার উপর খড়ার ঘা হয়ে দেখা দেয়।

বর্ননার চেয়েও ভয়াবহ আবস্থা রাস্তাগুলোর। খানা-খন্দে ভরা সড়কগুলো যোগাযোগের অনুপোযোগী। উপজেলার হাসপাতাল সড়ক দিয়ে মাইজগাঁও, হাটুভাঙ্গা হয়ে মাইজগাঁও, নিজ ছত্রিশ হয়ে মোঘলপুর, ছবুটিল্লা সড়কের অবস্থা সবচেয়ে ঝুঁকির মাধ্যে রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে সড়কে গর্ত, বড় বড় খানা খন্দ ও পানি জমে যানবাহন চলাচলে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

বড় বড় খানা খন্দ ও গর্তে পানি জমে যাওয়ায় ঘটছে যানবাহন ও যাত্রীদের দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত, সেই সাথে বাড়ছে বড় রকমের দুর্ঘটনায় আশংকা। সাথে বাড়ছে জনগনের দুর্ভোগের পরিমান।

ফেঞ্চুগঞ্জ হাসপাতাল সড়ক দিয়ে মাইজগাঁও পর্যন্ত সড়ক প্রায় তিন কিলোমিটার, অন্য দিকে নিজামপুর, ফরিদপুর হয়ে হাটুভাঙ্গা দিয়ে মাইজগাঁও পর্যন্ত সড়কটি প্রায় সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার। এই দুই এলাকার সাথে উপজেলা সদরের যোগা্যোগের প্রধান এই সড়ক দুটি বেহাল দশার কারণে এই এলাকার বাসিন্দারা সবচেয়ে দূর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয় সরর্দার কলোনীর বাসিন্দা বিলাল জানান, অনেক বছর হয়ে গেল ভাঙ্গা রাস্তায় কেউ সংস্কার করেনি। আমাদের দুঃখ দেখার আসলে কেউ নেই।
সিএনজি চালক নয়ন বলেন, রাস্তায় গাড়ি চালাতেই মন চায় না। শুধু পেটের জন্য জীবনের ঝুকি নিয়ে গাড়ী চালাই।

এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী রমাপদ দাশ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, উপজেলার প্রধান সড়কগুলো সড়ক ও জনপথের অধিনে চলে গেছে। এবং কয়েকটি রাস্তা উপজেলা পরিষদের আওতাধীন আছে।

বাকি যেসব রাস্তাগুলো আমাদের অধীনে আছে তার মধ্যে সবগুলোতে একসাথে কাজ করা এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আমরা এই বছর কয়েকটি রাস্তার কাজ করবো। এবং বাকিগুলো পরবর্তিতে সংস্কার করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here