ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ প্রভাব-এ উপকূলীয় অঞ্চলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি

0
90

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’র প্রভাব পড়েছে দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে। বুধবার দুপুর থেকে বাগের হাটের বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। মাঝেমধ্যে দমকা হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। নদ-নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। এদিকে বৃষ্টিপাতের কারণে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘সমুদ্রবন্দরে আবহাওয়া অফিসের ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত জারির পর জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। জেলাসহ সব উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় তিতলির পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।’

এদিকে ‘তিতলি’ মোকাবিলায় বুধবার দুপুরে বরগুনা জেলা প্রশাসন ও বরগুনা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে জরুরি প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে।

এ সময় যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সরকারি ও বেসরকারি সব দফতরের প্রস্তুতির বিষয়টি বরগুনা জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়।

বরগুনা জেলা প্রশাসক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কবির মাহমুদ বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত আছি। অন্যদিকে নিম্নচাপের প্রভাবে ভোলায় বুধবার সকাল থেকে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। পুরো আকাশ মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে। একধরনের থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

ভোলাসহ উপকূলীয় এলাকায় ৪ নম্বর বিপদ সংকেত দেখানো হচ্ছে। এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিকের সম্মেলন কক্ষে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সরকারি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ভোলা সদরসহ সাতটি উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

প্রত্যেক উপজেলায় পর্যাপ্ত শুকনা খাবার মজুদ রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও সকালে ভোলার প্রায় ৫০০টি সাইক্লোন আশ্রয়কেন্দ্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।