বিশ্ব ডিম দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শোভাযাত্রা ও আলোচনা

0
10

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। শুক্রবার সকালে দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। “সুস্থ সবল জাতি চাই, সব বয়সেই ডিম খাই” শ্লোগানে শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক এ.জেড.এম নূরুল হক। শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা হয়। জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আনন্দ কুমার অধিকারীর সভাপতিত্বে সভায় অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও।

বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মো. আতিকুল ইসলাম, খামারী মানতাসির ইসলামসহ অন্যরা। উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন, এনডিসি মো. আসাদুজ্জামান, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটগণ, সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. কবীর উদ্দিন আহমেদ, শিবগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. আব্দুল কাদির, নাচোল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম,সদর উপজেলা এফ.এ মো. এনামুল হক, ডি.এফ.এ সদর মো. রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা কম্পাউন্ডার মা. শহিদুল ইসলাম, বি.এফ.এ মো. কামরুজ্জামান, এফ এ ফারুক আহমেদসহ বিভিন্ন খামারী। ডিমের উপকারিতা, কার্যকারিতা, পুষ্টিগুন ও ব্যবহার বিষয়ে ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরেন জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আনন্দ কুমার অধিকারী।

এসময় বিভিন্ন পোল্ট্রি খামারীসহ জেলা প্রাণীসম্পদ অফিসের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভায় জানানো হয়, কাঁচা ডিম না থেয়ে আধা সিদ্ধ বা সম্পূর্ণ সিদ্ধ খাওয়া ভালো। প্রত্যেব শিশুর ৫ বছর পর্যন্ত ব্রেন গঠন হয়, এসময়টি শিশুদের ডিম খাওয়ালে ব্রেনের গঠনে সহায়তা করে।

উন্নত দেশের মানুষ বছরে ৩ শতাধিক ডিম খাই, কিন্তু বাংলাদেশর মানুষ বছরে গড়ে ডিম খাই ১০৪টি। বর্তমানে প্রাণী সম্পদ অধি দপ্তরের লক্ষমাত্রা বছরে যেন একটি মানুষ ১৬০টি ডিম খাই। ডিমে উপকারী চর্বি রয়েছে। ডিমে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ও ভিটামিন-ডি রয়েছে। যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

সপ্তাহে ৭দিনই ১টি করে ডিম খাওয়া যায়, এতে শরীরের ওজনও বাড়ার কোনো আশংকা নেই। কোন কোন সময় বিভিন্ন সামাজিক গণমাধ্যমে বিকল্প ডিম বা প্লাস্টিকের ডিমের কথা শোনা গেলেও বাংলাদেশে একরম কোন কারখানার সন্ধান বা বাস্তবেও এর কোনো প্রমান পাওয়া যায়নি।

এজন্য এসব গুজবে কান না দেয়ার আহবান জানানো হয় সভায়। দেশে গরু, খাসি বা মুরগীর মাংস’র চেয়ে আনুপতিকভাবে ডিম খেলে এসব মাংসের চেয়ে অনেক বেশী উপকার পাওয়া যায় বলেও জানিয়েছে জেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের তথ্যে। সকলকে ডিম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার আহবান জানান বক্তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here