কবিতা লিখে ছাত্রলীগের জন্য উৎসর্গ করলেন রাসু

0
204

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হয়ে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া প্রাণপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে বুকে ধারণ করে এই সংঘঠেনর নামে একটা কবিতা লিখে ছাত্রলীগকে উৎসর্গ করেছেন রকিবুল হাসান (রাসু)।

রাসুর লেখা কবিতাটি ইতোমধ্যে সাড়া জাগিয়েছে বিভিন্ন মহলে। পাঠকদের জন্য নিচে কবিতাটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‍ছাত্রলীগ
রকিবুল হাসান (রাসু)

আমি স্বাধীন সংগঠন ছাত্রলীগ করি,
বেজে উঠল কি সময়ের ঘড়ি?
এসো তবে আজ বিদ্রোহ করি।

উঠুক তুফান বাংলার মাটিতে, পাহাড়ে
জ্বলাও আগুন যারা ছাত্রলীগের নেতাদের মারে।

মানবো না বাধা, মানবো না ক্ষতি,
শ্রদ্ধা রাখি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের প্রতি।

অধিকার দেবে নাকো? দেবে না সন্মান?
এ লড়াইয়ে তুমি নও প্রসন্ন?
চোখ-রাঙানিকে করি না গণ্য
আমরা ধারি না ধার।

ছাত্রলীগকে দেখার মতো আছই বা কারা!
বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশ রত্ন শেখ হাসিনা ছাড়া।

শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি নিড়ে সৎ পথে চলি মুরা,
অন্যায় অবিচার করে মুজিবের সৈনিকদের রাজপথ থেকে মারিসনারে তোরা।

খ্যাতির মুখেতে পদাঘাত করি,
গড়ি আমরা বিদ্রোহ গড়ি ছিঁড়ি আমরা দুহাতের শৃঙ্খলদড়ি,
এই আমাদের মৃত্যুপণ।”

রকিবুল হাসান (রাসু) ইসলামপুরে তৃণমূল থেকে গড়ে ওঠা পরিশ্রমী ছাত্র একজন নেতা। তিনি ২০০১সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। শুরুটা শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ থেকে, তখন সেই স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতেন আপন বড় ভাই রাশেদুল হাসান (রাছেল)। তখন তার বাবা ৪নং সাপধরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

রকিবুল হাসান (রাসু) তিনি নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়াডের ছাত্রলীগের সংগঠনিক সম্পাদক থেকে তার ছাত্র রাজনীতি শুরু।তিনি তখন ছোট ছিলেন কিন্তু তার সম্পূর্ণ পরিবার রাজনৈতিকভাবে জড়িত।

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার মধ্যে যদি কোনো আওয়ামী লীগের নিবেদিত পরিবার থাকে তাহলে তাদের পরিবারটাকে মনে করতে হবে। কারণ তার পরিবারের সবাই প্রায় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার বড় দাদা মরহুম আসাদুজ্জামান সরকার ব্রিটিশের বিরুদ্ধে হা-ভাত আন্দোলনে বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার সমন্বয়কারি ও পরবর্তীতে জুরির হাকিম হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার অন্য দাদু মরহুম আবুল সরকার ৫নং নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের ১৮ বছর চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন, তার ছোট দাদু মরহুম বদিউজ্জামান সরকার জামালপুর জেলা সমবায় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং খালেদ মোশাররফ ও রাশেদ মোশাররফের খুবই কাছের মানুষ হিসাবে আওয়ামী লীগের জন্য অনেক অবদান রেখে গেছেন।

২০০১ সালের নির্বাচনে তার বড় ভাই ও তার বাবা তিনটি মামলার আসামি ছিলেন। তিনি বলেন, কন কনে শীতের রাতে মানুষের ভাঙ্গা ঘরে একেক দিন একেক বাড়িতে থাকতে হয়েছে। বিএনপি/জামায়াতের তাণ্ডবলীলায় থাকতে পারেনি বাড়িতে কোন ছেলে মানুষ।

তখন তার বাবা ইসলামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হয়ে পর পর দুই বার উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসাবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে এখনো দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

রকিবুল হাসান রাসু পরবর্তীতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাথে কাজ করে উপজেলা ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন। উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

এখন সে ইসলামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এবং সে ঢাকাস্থ ইসলামপুর উপজেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

রাসুর এলাকায় এবং তার আশেপাশে কথা বলে জানা,তিনি সবসময় অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে তার অবদান অনেক। মেলান্দহ উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি খালেদ আল হাসান আরজু হোসাইন বলেন, রকিবুল হাসান (রাসু) তিনি এলাকার জন্য অনেক কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আমার পাশের এলাকার হলেও তার প্রতি রয়েছে আমার অফুরন্ত ভালোবাসা। আমি চাই তিনি অনেক বড় হোক। ভালো কিছু করুক। তার এলাকার উন্নয়নে আরও অবদান রাখুক। তার কবিতাটি পড়ে আমার অনেক ভালো লেগেছে আমি আরও সাহস পেয়েছি। আসলে ছাত্রলীগ সংগঠনকে মনে প্রাণে মেনে নিলেই এমন কিছু করা সম্ভব।

তিনি সম্প্রতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে উৎসর্গকৃত কবিতাটির ক্রেস্ট তুলে দিয়েছেন জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিহাদুল আলম নিহাদ ও সাধারণ সম্পাদক মাকছুদ বিন জালাল প্লাবনের হাতে।

এ ব্যপারে জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাকছুদ বিন জালাল প্লাবন বলেন, তার কবিতা পড়ে অনুপ্ররেণা পেলাম। আমার জানা মতে এই প্রথম কেউ দেখলাম ছাত্রলীগকে নিয়ে কবিতা লিখে সেই কবিতা আবার উৎর্সগ করেছেন। আমি তার সর্বাঙ্গীন উন্নতি ও সাফল্য কামনা করি।