চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাত বছরে সাজা

0
21

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাত বছরে সাজা দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মামলার অন্য তিন আসামিকেও একই সাজা ও জরিমানা করেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এ রায় দেন।

উল্লেখ্য, চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা ছাড়া অভিযুক্ত অন্য তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৩২ জন সাক্ষী। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

এর আগে সোমবার সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার চলবে বলে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

গত ১৪ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া আদালতে পরপর কয়েকদিন না আসার পরিপ্রেক্ষিতে তার অনুপস্থিতিতেও বিচার চলবে বলে বিশেষ জজ আদালত যে আদেশ দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে করা রিভিশন আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট।

পরে হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করেন খালেদার আইনজীবীরা। আজ ওই আবেদন খারিজ করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত। গত ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিভিশন আবেদনটি করা হয়। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর তার অনুপস্থিতিতেও বিচার চলবে বলে আদেশ দেয় বিচারিক আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ -এর বিচারক আখতারুজ্জামান এই আদেশ দেন।

মামলাটিতে খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here