জেল হত্যা দিবস বাঙ্গালী জাতির কলংকিত অধ্যায়-বিজয় ৭১’

0
95

তাজউদ্দীন আহমদের সুদৃঢ় নেতৃত্বের কারনেই নয় মাসে দেশ শত্রু মুক্ত হয়েছিল।বঙ্গবন্ধু’র হত্যাকারীরাই পরবর্তীতে জাতীয় চার নেতা হত্যার ষড়যন্ত্রকারী। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তাজউদ্দীন আহমদ সহ চার নেতা যদি জীবিত থাকে, তাহলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সু-সংগঠিত হবে।

ষড়যন্ত্রকারীরা চার নেতাকে হত্যার পর তাদের পরিবার পরিজনকেও হত্যার জন্য বার বার ষড়যন্ত্র করেছে। দেশ জাতি ও সমাজের প্রতি দ্বায়বদ্ধতা স্বীকার করে তিনি সেদিন জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন।

ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয় রয়েছে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। জেল হত্যা দিবস বাঙ্গালী জাতির কলংকিত অধ্যায়। যতদিন এদেশ থাকবে, ততদিন জাতীয় চার নেতার স্মৃতি চির অম্লান হয়ে থাকবে। বিজয় ৭১’র উদ্দ্যেগে আয়োজিত জেল হত্যা দিবসে আলোচনা সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

আজ ৩ অক্টোবর শনিবার বিকাল ৪টায় সংগঠনের নিজ কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি এড. নীলু কান্তি দাশ নিল মণি’র সভাপতিতে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা মো:জসিম উদ্দিন চৌধুরী, টি কে সিকদার, সহ-সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ডা.আর কে রুবেল।

সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. কামরুজ্জা মানের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব চক্রবর্তী, সদস্য কুুতুব উদ্দিন রাজু, মিলন কান্তি দেবনাথ, ডা.এস কে পাল সুজন, বাবর মুনাফ, খোরশেদ আলম, রোজী চৌধুরী, শাহনাজ আক্তার, রমিজ মোরশেদ প্রমূখ।