পাবনা-৩ আসনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকন জনপ্রিয়তায় শীর্ষে!

0
25

মোঃ শাহিন, স্টাফ রিপোর্টার : আগামী জাতীয় সংসদ (একাদশ) নির্বাচনে ৭০/পাবনা-৩ (চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর) আসনে আওয়ামী লীগ তথা নৌকার এমপি পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী, পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক,পাবনা বাসীর গর্ব ও অহংকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকন। তিনি ১৯৫৩ সালে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাথরঘাটা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

পিতা মরহুম আলহাজ্ব আব্দুর রহমান পাবনা রেজিষ্ট্রি অফিসে চাকরি করতেন। ৭ ভাই ২ বোনের মধ্যে তিনি ২য়। ছোটবেলা থেকেই মানুষের বিপদে আপদে ছুটে যাওয়া। আর বিভিন্ন সামাজিক, সেবামূলক কাজে নিজেকে আত্মনিয়োগ করা তাঁর নকিট বরাবরই প্রশান্তির বিষয়। লেখাপড়া ও সামাজিক সংগঠনের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্থপতি হাজার বছররে শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে ১৯৬৭ সালে ৮ম শ্রেণীর ছাত্র থাকা অবস্থায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগ দেন। শুরু হয় তাঁর রাজনৈতিক জীবন।

রাজনীতি করার কারণে তার বাবা তাঁকে বাড়ি থেকে বেড় করে দেন। তবুও মায়ের আদরের আড়ালে তিনি পিছুপা হননি রাজনীতি থেকে। ১৯৬৭ সালে পাবনার ঐতিহাসিক ভূট্টো আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ছয় দফা ও ছাত্রলীগের ১১ দফা সহ বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রতিবাদে পাবনায় আন্দোলন গড়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন তিনি। ১৯৭০ সালে জাতীয় সংসদ ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নৌকা মার্কা প্রতীকের বিজয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ সহ ১৯৭০ সালের অসহযোগ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পরেন।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সহ দুই ভাই ও মামা সাবেক এমসিএ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) মরহুম আব্দুস সালাম ভারতে যান। ভারতের দেরাদুনে সহোদর তিন ভাই উচ্চতর বিএলএফ (মুজিব বাহিনী) প্রশিক্ষণ নিয়ে পাবনার বিভিন্ন অঞ্চলে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহন করনে। স্বাধীনতার পর জাতির জনকের আহ্বানে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে লেখাপড়া ও ছাত্র রাজনীতি চালিয়ে যান।

১৯৭০-৭২ সাল পর্যন্ত পাবনা জেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭৩ সালে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি এ পদে ছিলেন। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তৃণমূল পর্যায়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছেন, এই বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. স.ম. আব্দুর রহিম পাকন।

তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৩ (চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর) আসনের আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী হিসেবে সাংগঠনিক কর্মকান্ড সহ প্রচার-প্রচারণা, পথসভা ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন। তার কর্মকান্ড, ব্যক্তিত্ব, নীতি আদর্শে ও আন্তরিকতায় এই পাবনা-৩ আসনের জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছেন তিনি।

এদিকে, দলীয় ও স্থানীয় সূত্রমতে, ৭০/ পাবনা-৩ (চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর) আসনে এবার পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। আর জনমুখী নানা ইতিবাচক কর্মকান্ড আর সুখে-দুঃখে সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকা পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, পাবনা জেলা সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ সভাপতি, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি’র সহ-সভাপতি, বঙ্গবন্ধু ও চার নেতা স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও পাবনা জেলার সভাপতি, পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, জনপ্রিয়, পরিচ্ছন্ন, পরিশ্রমী, মেধাবী নেতা এবং দেশ ও জনগনের অতন্দ্র প্রহরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকন দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে এবার বিভিন্ন ভাবে এগিয়ে আছেন। এই আসনে তিনি নৌকা প্রতিক নিয়ে লড়তে চান।

তাই সুখে-দুখে জনতার পাশে থাকা দলীয় কর্মকান্ড ও আন্দোলনে অন্যতম সাহসী ভূমিকা পালনকারী হিসেবে তাঁকে নিয়েই এই আসনের দলীয় নেতাকর্মী সহ সাধারণ জনগণ স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। বিভিন্ন ইতিবাচক কর্ম আর বিচক্ষণ নেতৃত্বগুণে ইতিমধ্যে এই আসন বাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তাই তারা তাকে’ই এমপি হিসেবে পেতে চায়। তিনি এলাকায় নানান কর্মকান্ডে আত্মনিয়োগ করছেন। দলীয় কর্মসূচির পাশা-পাশি সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকান্ডে তাকে সক্রিয়ভাবে যোগ দিচ্ছেন।

এছাড়া তার নেতৃত্বেই দলীয় কর্মকান্ড চলছে। আর তিনি দলীয় নেতাকর্মী সহ এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। এ ব্যাপারে পাবনা-৩ আসনের অনেকেই বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকন এ আসনের জনসাধারণকে যেভাবে বুকে জড়িয়ে নিয়ে, তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন, তা সত্যি অভূতপূর্ব। এছাড়া সে হাসি মুখে অনেকেরই মন জয় করে নিয়েছেন। আর এলাকার জনগণও তাঁকে সাদরে গ্রহণ করছেন। তাই আমরা তাকেই এমপি হিসেবে পেতে চাই। তিনিই এখন ব্যাপক আলোচনায়।

এ ব্যাপারে বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকন বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকার মানুষের পাশে থেকে তাদের আশা-আকাঙ্খার কথা জেনেছি। স্বাধ্যমত তাদের সেবা করেছি। এবার দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে বিজয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। তবে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পেলেই আমি নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। আর দলীয় কর্মকান্ড ও আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা পালন করেছি। তাই দল আমাকে মূল্যায়ন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। এজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আর আমি সারা জীবন মানুষের কল্যাণে ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এ জন্য সকলের দোয়া ও আর্শিবাদ কামনা করছি।

অন্যদিকে, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকন এবার মনোনয়ন পাবেন বলে দৃঢ় আশাবাদী তার সমর্থকরা। তারা বলেন, তিনি এলাকায় নিয়মিত দলীয় কর্মসূচি সহ পথসভা, মতবিনিময় ও গণসংযোগ এবং সামাজিকঅনুষ্ঠানেও যোগ দিচ্ছেন। এছাড়া তার নেতৃত্বে দলীয় বিভিন্ন কর্মকান্ড চলছে। আর তিনিই দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছেন। বিভিন্ন দূর্ঘটনায় কবলিতদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন। তাই তিনিই মনোনয়নের দাবিদার।

এছাড়া বিগতদিনে দলের জন্য তার অনেক ত্যাগ রয়েছে। তার ত্যাগ ও ব্যক্তিগত ক্লিন ইমেজের কারণে তিনি মনোনয়ন পেলেই এমপি নির্বাচিত হবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here