বাঁশখালী (চট্টগ্রাম-১৬) আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চান ড. মোঃ জমির উদ্দীন সিকদার

0
18

রাজীব চক্রবর্তী: ড.মোঃ জমির উদ্দীন সিকদার ছাত্রজীবন থেকেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজ নীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। তার বলিষ্ট রাজনৈতিক কর্মদক্ষতায় ২০১৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক মনোনীত হন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষনা প্রতিষ্ঠান (সি.আর.আই) এর সূচনা লগ্ন থেকে অদ্যবধি উপদেষ্টা (অর্থ) হিসাবে নিরলসভাবে দেশ জনগণ ও দলের জন্য কাজ করে চলেছেন।

তিনি আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাঁশখালী (চট্টগ্রাম-১৬) আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চান। নির্বাচন প্রসঙ্গ এবং নির্বাচনে জয়ী হলে আগামীর পরিকল্পনা কি এই বিষয়ে ড. জমির সিকদার সিটিজি পোস্ট ডটকম’কে বলেন, আমাদের নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে তরুণ মেধাবীদের বেশী প্রাধান্য দিচ্ছেন এবং বিগত নির্বাচনে তার প্রতিফলন দেখেছি, সেই ধারাবাহিকতায় আমিও একজন প্রার্থী হতে চাই।

এলাকার বেকার যুবকদের কাজের ব্যবস্থা করা, উচ্চ শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করা, ৫০০(পাঁচশত) শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ব্যবস্থা করা,বর্তমানে গ্রামীন জনপদের রাস্তার যে দূরাবস্থা,সেই রাস্তাগুলোর উন্নয়ন সাধন করে বাশঁখালীর প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাথে মুল সদরের ব্যবসাবানিজ্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধি করা , মাদক নির্মূল করা, টেকনিক্যাল শিক্ষার প্রসার, পর্যটন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও শিল্পকারখানা স্থাপন করে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা।

তিনি আরও জানান, বাঁশখালীতে ২৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগের কোন সম্মেলন হয়নি, আমি যদি মনোনয়ন পেয়ে জনগনের ভোটে নির্বাচিত হই প্রথমেই বাশঁখালীতে আওয়ামী লীগের বিশাল সম্মেলন করব। তাছাড়া তরুণ ও অবহেলিত প্রবীণদের নিয়ে বাঁশখালীর গনমানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা করব। তিনি আরো জানান, বাঁশখালীতে পর্যটন শিল্পের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।

আমি এমপি হলে সর্ব প্রথম এই শিল্পের উন্নয়নে দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করব যাতে এই অঞ্চলের মানুষকে কাজের জন্য বিদেশ যেতে না হয়। এলাকা মাদক মুক্ত করার জন্য তরুণদের নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলব যাতে তরুণ সমাজ মাদকের থাবা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারে।

আগামী ৪ নভেম্বর আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র মৃত্যুবার্ষিকী, আপনি চট্টগ্রামের একজন সফল রাজনীতিবিদ হিসেবে উনাকে কিভাবে দেখেন, এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু একটি মহান আদর্শ, সৎ, নীতিবান ও উজ্জল নক্ষত্রের নাম। তাঁর চিন্তা চেতনা ও ধ্যান ধারণায় ছিল দেশপ্রেম ও দেশের মানুষের কল্যাণ।

বাঙালি জাতির মুক্তি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি আমৃত্যু কাজ করেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ ও লালন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে অনবদ্য অবদান রেখেছেন। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যে শূণ্যতা তৈরী হয়েছে তা কখনোই পূরণীয় নয়।

তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজনীতি’র এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। মহৎ ব্যক্তি মরহুম আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র মৃত্যুবার্ষিকীতে জানাই গভীর ভালোবাসা ও বিন¤্র শ্রদ্ধাঞ্জলী। পরম করুনাময় আল্লাহ্ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নছিব করেন, তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে এই কামনা করি। ড.মোঃ জমির উদ্দীন সিকদার ১৯৭৫ সালে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শীলকুপ গ্রামে জনা¥গ্রহন করেন।

বাবা রাজা মিয়া সিকদার একজন ব্যবসায়ী ও মা শাহাজ্জাহান বেগম একজন গৃহিনী। বাঁশখালীর চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়, সাতকানিয়া সরকারী কলেজ, চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়সহ ভারত ও লন্ডনের শিক্ষা লেখাপড়া করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here