কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন আবুল কালাম মজুমদার

0
34

স্টাফ রিপোর্টার : কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা, সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী, লক্ষ জনতার নয়নের মনি, কর্মী বান্ধব, দুঃখী মানুষের আশ্রয় স্থল, জাতীয় পার্টির নিবেদিত প্রাণ ও রাজপথের সাহসী নেতা আবুল কালাম মজুমদার নেতাকর্মী নিয়ে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন। তিনি ১৪ নভেম্বর ২০১৮ ইং এ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন ও ১৫ নভেম্বর ২০১৮ ইং তা জমা দেন। এসময় দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে আবুল কালাম মজুমদার বলেন, দলের নেতাকর্মীরা চান আমি দল থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হই। তাদের প্রত্যাশা পুরণ ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য কাজ করি। আমি নির্বাচিত হয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ.এম এরশাদের নেতৃত্বে আগামীর সম্ভাবনায় বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখতে চাই।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় পার্টির শাসন আমল ছিল দেশের স্বর্ণ যুগ, তাই সাবেক রাষ্ট্রাপতি এইচএম এরশাদ তথা জাতীয় পার্টিকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। এজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়াও আবুল কালাম মজুমদার দলমত নির্বিশেষে সকল’কে লাঙ্গলে ভোট দেওয়ার আহবান জানান। এছাড়াও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ.এম এরশাদের বিরুদ্ধের সকল মামলা প্রত্যাহার দাবী করেন তিনি।

আর আবুল কালাম মজুমদার আরও বলেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ.এম এরশাদ যদি মহাজোট করেন তাহলে মহাজোটের প্রার্থী যেই হোক আমি ও জাতীয় পার্টি মহাজোটের পক্ষে থাকবো। রেলমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক এমপি আবারও মহাজোটের প্রার্থী মনোনীত হলে আমি তাকে বিজয়ী করতে সব ধরনের সহযোগিতা করবো।

এ ব্যাপারে কুমিল্লা-১১ আসনের অনেকেই বলেন, জাতীর পার্টির একজন নিবেদিত প্রাণ হিসেবে আবুল কালাম মজুমদার পরিচিতি কুমিল্লা সহ সারা দেশব্যাপী সমাদৃত। এছাড়া তিনি কুমিল্লা-১১ তথা চৌদ্দগ্রাম এলাকার গরীব-দুঃখী মানুষের নানান সমস্যায় নিরবে পাশে দাঁড়ান সবসময়। আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে মানব সেবায় ও রাজনীতি তে অনেক খ্যাতি লাভ করেছেন তিনি। তাই কুমিল্লা জেলা সহ দেশ ও জাতীয় পার্টির জন্য গর্ব।

তারা আরও বলেন, আবুল কালাম মজুমদার এ আসনের জনসাধারণকে যেভাবে কাছে নিয়ে নিজের মনে গ্রহণ করে, তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন, তা সত্যি অভূতপূর্ব। এছাড়া সে হাসি মুখে অনেকেরই মন জয় করে নিয়েছেন। আর এলাকার জনগণও তাঁকে সাদরে গ্রহণ করছেন।

এছাড়াও তিনি চৌদ্দগ্রামের বেকার সমস্যার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে বিশেষ ভাবে কাজ করছেন। আর “চৌদ্দগ্রাম শিল্পাঞ্চল বাস্তবায়ন কমিটি” নামে একটি সামাজিক সংগঠনের সমন্বয়ক হিসাবে কাজ করছেন তিনি। তাই আমরা তাকেই এমপি হিসেবে পেতে চাই। তিনিই এখন ব্যাপক আলোচনায়।