শরীয়তপুর শহর ছেঁয়েগেছে নৌকার পোষ্টারে, মাঠে নাই ধানের শীষ !

0
31

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ঃ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনে ভোটারদের মাঝে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে। নৌকা প্রতিকের পক্ষে প্রচার প্রচারণায় মেতে আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রী কমিটির সদস্য ইকবার হোসেন অপুর সমর্থকগণ।

শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার একেএম নাসির উদ্দিন কালুর ধানের শীষের পক্ষে কোন প্রচার প্রচারণা না থাকায় নির্বাচনী আমেজ ভোটারদের মাঝে উৎসবের সৃষ্টি হয়নি। কিছুটা নির্বাচন জমিয়ে রেখেছে মিনার প্রতিক, হাতপাখা প্রতিকি ও কাস্তে প্রতিকের পোষ্টার ও প্রচারণায়। এ সব প্রতিকের প্রার্থীদের প্রচার, পথ সভা ও সমাবেশ বিভিন্ন স্থানে লক্ষ্য করা গেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে শরীয়তপুর শহরের প্রাণ কেন্দ্র কিংডম টাওয়ার, কেন্দ্রী জামে মসজিদ, ডাকবাংলো মোড় ও বটতলা এলাকা নৌকা প্রতিকের পোষ্টারে ছেঁয়ে ফেলেছে ইকবাল হোসেন অপুর কর্মী সমর্থকরা। পোষ্ঠার সাটানোর সময় কথা হয় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য সোহাগ পাহাড়ের সাথে। তিনি জানায়, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেন অপুর পক্ষে নৌকা প্রতিক নিয়ে কাজ করছে তারা।

অপুর পক্ষে নিজ নিজ এলাকায় ভোটারদের বাড়িবাড়ি যাচ্ছে। অপুর পক্ষ থেকে ভোট প্রার্থনা করছেন তার। ইকবাল হোসেন অপু যুব সমাজের অহংকার। যুবসমাজ ইকবাল হোসেন অপুকে সাদরে গ্রহন করেছে। সমাজের প্রতিটি যুবক ইকবাল হোসেন অপু সেজে নির্বাচনী মাঠে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক শরীয়তপুরের রূপকার সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী প্রয়াত জননেতা আব্দুর রাজ্জাক আর ডিজিটাল শরীয়তপুর নির্মাণের লক্ষ্যে জননেতা ইকবাল হোসেন অপু কাজ করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। তাই আমরা ইকবাল হোসেন অপুর নৌকা প্রতিকের পক্ষে কাজ করছি। ইকবাল হোসেন অপুর জনপ্রিয়তা দেখে ধানের শীষসহ অন্যান্য প্রতিকের প্রার্থীরা আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। তাই তারা নির্বাচনী মাঠে ও ভোটারদের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে।

কথা হয় বাম গণতান্ত্রিক জোটের কাস্তে প্রতিকের প্রার্থী মোদাচ্ছের হোসেন বাবুল এর সাথে। তিনি জানায়, আমার নির্বাচনী কর্মী সমর্থক ও ৮দলীয় বাম গণতান্তিক জোটের নেতাদের নিয়ে সভা সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছি। ভোটারদের কাছে যাচ্ছি। ভোটারদে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। এখন শুধু ৩০ ডিসেম্বরের অপক্ষেয় আছি। তিনি আশাবাদী কৃষক, শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মেহনতী মানুষ তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে কাস্তে প্রতিককে বিজয় করবে।

নির্বাচনের মূল শক্তি ভোটারদের সাথে আলাপ কালে জানাযায়, নির্বাচনের আমেজ বা উৎসব তারা অনুভব করতে পারছে না। নির্বাচন এখন গান বাজনা ও মোটর শোভা যাত্রার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে সভা সমাবেশ হয় কিন্তু সাধারণ ভোটারদের কাছে কোন প্রার্থী বা তাদের কর্মী সমর্থকদের যেতে দেখা যায় না। নির্বাচনের সেই উৎসব আর দেখা যায় না।