শরীয়তপুর চৌরঙ্গী এলাকায় অগ্নিকান্ডে ১৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়েছে

0
19

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ শরীয়তপুর জেলা শহরের প্রানকেন্দ্র চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাজারের কম্পিউটার, স্যানেটারী, হোটেল, সেলুন, কাঁচামাল, ফল ও মুদি দোকানসহ ১৪টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়েগেছে। ভয়াবহ এ অগ্নিকান্ডে প্রায় দেড় থেকে ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা। তবে ক্ষতির পরিমান আরো বেশী হতে পারে বলেও দাবী করেছে ক্ষতিগ্রস্থ্য ব্যবসায়ী ও দোকান (পজিশন) মালিকরা। ফায়ারসার্ভিস জানিয়েছেন সার্বিক অবস্থা যাচাই শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা যাবে।

শরীয়তপুর ফায়ার সার্ভিস, ও প্রত্যক্ষদর্শীরা সূত্রে জানাগেছে, আজ (শুক্রবার) রাত আনুমানিক ২টার দিকে হঠাৎ একটি দোকানে আগুন দেখতে পায় বাজার পাহাদাররা। সাথে সাথে শরীয়তপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ শুরু করার আগেই মূহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ডামুড্যা উপজেলা ও পাশবর্তী জেলা মাদারীপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের আরো ২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রনে তাদের সাথে যোগদেয়। ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট প্রায় ২ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়।

এর আগেই আগুনের লেলিহান শিখায় আক্তার হোসেনের সোনালী কম্পিটার দোকান, শামিম খানের সেনেটারী দোকান, মোফাজ্জল ঢালীর ফুলের দোকান, কামরুল তালুকদারের তালুকদার টেলিকম, লোকমান হোসেনের, আক্তার ঢালীর, শামিমের মুদি-কাঁচামাল ও ষ্টেশনারী, মালেক মাদবরের মুদি দোকান, তাজুল ও মুমিনুল ইসলামের হোটেল, হেলাল মাদবর ও জাহিদের চায়ের দোকান এবং স্বúনের সেলুন ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা প্রাথমিকভাবে ধারনা করছে বৈদ্যুতিক সকসার্কিট থেকে এই আগুনের সুত্রপাত হয়েছে। তবে সঠিকভাবে কেউ আগুনের সূত্রপাত নির্নয় করতে পারেনি। এ ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

শরীয়তপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর স্টেশন অফিসার আব্দুর রহমান বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে শরীয়তপুরের ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। আমরা শরীয়তপুর, ডামুড্যা, ও মাদারীপুরের ইউনিটকে খবর দিলে ৪৫ মিনিটের মধ্যে তারা ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনের কাজে যোগদান করে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে বৈদ্যতিক সকসার্কিট থেকে এই অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হতে পারে। এই মূহুর্তে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বলতে না পারলেও সার্বিক অবস্থা যাচাই শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা যাবে।