চিরনিদ্রায় শায়িত সৈয়দ আশরাফ

0
166

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ রোববার বাদ আছর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে আশরাফের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স বনানী কবরস্থানে এসে পৌঁছায়। দুপুর থেকেই নেতাকর্মীরা তাদের প্রিয় নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে চিরবিদায় জানাতে উপস্থিত হন বনানী কবরস্থানে।

এর আগে সকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজে জানাজা শেষে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কফিন জাতীয় পতাকা দিয়ে ঢেকে দেয়া হয় এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

প্রথমে মরহুমের কফিনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এছাড়াও তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দলের পক্ষে দলীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আরেকবার শ্রদ্ধা জানান।

নামাজে জানাজা শেষে তাকে হেলিকপ্টারে কিশোরগঞ্জে নেয়া হয়। মরহুমের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান এবং তৃতীয় নামাজে জানাজা ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

দুপুর পৌনে ১টার দিকে বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্টেডিয়ামে আনা হয়। সেখানে জাতীয় পতাকা মোড়ানো কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা। সেখান থেকে মরদেহবাহী গাড়ির বহর পৌঁছে শোলাকিয়া মাঠে। সেখানে নামাজে জানাজা শেষে শোকাবহ পরিবেশে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানায় কিশোরগঞ্জবাসী।

ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দানে রোববার দুপুর ২ টা ৫৫ মিনিটে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন আঞ্জুমান ঈদগাহ মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুললাহ আল মামুন।

জানাজা শুরুর আগে মরহুম নেতার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় জেলা-মহানগর আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানাজার আগে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার রাতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৈয়দ আশরাফ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি এক কন্যাসহ রাজনৈতিক সহকর্মী, বহু আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী এবং নেতা-কর্মী রেখে গেছেন।