স্বাস্থ্য খাতে ১১ দুর্নীতি বন্ধে ২৫ সুপারিশ দুদকের!

0
108

১১টি ক্ষেত্র শনাক্ত করে একটি প্রতিবেদন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একইসঙ্গে ওইসব দুর্নীতির উৎস বন্ধে ২৫টি সুপারিশ করেছে ওই প্রতিবেদনে দুদক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেকের কাছে দুদকের কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।

হস্তান্তর পর কমিশনার মোজাম্মেল হক খান সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ২০০৮ সাল থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি দমনের কাজ স্বল্প পরিসরে শুরু হয়। আইনি অনুশাসনে কমিশন ২০১৭ সালে ২৫টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে ২৫টি প্রাতিষ্ঠানিক টিম গঠন করে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রয়েছে।

এসময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্নীতির ১১টি ক্ষেত্র শনাক্ত করা হয়েছে জানিয়ে কমিশনার ড.মোজাম্মেল বলেন, এসব দুর্নীতির উৎস বন্ধে ২৫টি সুপারিশ রয়েছে এ প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনের আলোকে মন্ত্রণালয় যদি ব্যবস্থা গ্রহণ করে তবে দুর্নীতি প্রতিরোধে একটি সহায়ক হবে।

প্রতিবেদন সংক্রান্ত সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে দুদক কমিশনার বলেন, প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন ক্রয়, নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি, পদায়ন, চিকিৎসা সেবা প্রদান, চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইকুইপমেন্ট ব্যবহার, ওষুধ সরবারাহসহ বিভিন্ন দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করা হয়েছে।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, এই প্রতিবেদনটি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে। প্রতি বেদনে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। দুর্নীতি থাকলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক অধিকার, তাই দুর্নীতি প্রশয় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, ভালো লোক থাকলে ভালো যন্ত্রপাতি ক্রয় করা যায়। কিছু লোককে ইতো মধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হবে না। সব ক্রয় হবে নিড বেইজড। চিকিৎসকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি মনিটিরিংয়ের জন্য মন্ত্রণালয়ে সেল গঠন করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।

প্রতিবেদন হস্তান্তরের সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে উভয় বিভাগের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।