মানিকগঞ্জে একই নারীর রক্তের গ্রুপ দুই রকম!

0
266

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম ইউনিয়নের পুনাইল গ্রামের মিনু আক্তার ৪ মাস আগে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌর সুপার মার্কেটে অবস্থিত সেন্ট্রাল স্পেশালাইজড হাসপাতালে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করান। ঐ সময় তার রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে ‘এ’ পজিটিভ রিপোর্ট দেয়া হয়। রিপোর্টে ল্যাব টেকনোলজিস্ট সুমন দাস ও ডা. সামছুন্নাহারের স্বাক্ষর রয়েছে।

চার মাস পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে (৩১ শে জানুয়ারী) মিনু আক্তারের প্রসব বেদনা দেখা দেয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে নিয়ে জেলা সদরের বলাকা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. ওসমান গণির পরামর্শ অনুযায়ী মিনুর প্রসব পরবর্তী রক্তের প্রয়োজনে তার গ্রুপ (‘এ’ পজিটিভ) সমতায় দুজন রক্তদাতাকে তারা হাসপাতালে উপস্থিত রাখেন।

সিজারের পর রক্তদাতা ও রোগীর রক্তের ক্রস-ম্যাচিং করতে গিয়ে মিনুর রক্তের গ্রুপ ‘এ’ পজিটিভ নয়, ‘এ’ নেগেটিভ বলে জানায় বলাকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। একই ব্যক্তির দুই ধরণের রক্তের গ্রুপ নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান মিনুর স্বজনরা।

এরপর মিনুর স্বজনরা সেন্ট্রাল স্পেশালাইজড হাসপাতালে গিয়ে ঘটনা জানালে তারা পুনরায় রক্ত পরীক্ষা করেন। আগের বার ‘এ’পজিটিভ রিপোর্ট দেয়া হলেও পরের বার মিনু আক্তারের রক্তের গ্রুপ ‘এ’নেগেটিভ বলেই রিপোর্ট দেয় তারা।

একই ব্যক্তির রক্তের গ্রুপের দুই ধরণের রিপোর্ট দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সেন্ট্রাল স্পেশালা ইজড হাসপাতালের ল্যাব টেকনোলজিস্ট সুমন দাস জানান, ৪ মাস আগে মিনু আক্তারের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হয়েছিল। তখন তার রক্তের গ্রুপ ‘এ’নেগেটিভই পাওয়া যায়। তবে প্রিন্টিং মিসটেকের কারণে রিপোর্টে ‘এ’পজিটিভ লেখা হয়। এটা আসলে চরম ভুল। এজন্য আমরা ক্ষমা প্রার্থী।

জেলা সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আব্দুল মালেক জানান, একই ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ দুই রকম হওয়ার ঘটনাটি তার জানা নেই। এ বিষয়ে রোগীর পক্ষ থেকে যদি লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।