সম্পর্কে বাগানের হার্টথ্রব সনি নর্দের স্ত্রী

0
56

একজন প্লেয়ারই কী ডিফেন্ডার, গোলকিপার, স্ট্রাইকার, মিডফিল্ডার হিসেবে খেলবে নাকি! বক্তা কিম্বার্লি ডি নর্দে। সম্পর্কে বাগানের হার্টথ্রব সনি নর্দের স্ত্রী। গোকুলম ম্যাচের ঠিক পরেই দলের বেআব্রু দশা প্রকাশ্যে এনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন কিম্বার্লি। যা কিছুক্ষণেই রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়।

অনেক আশা করে চোট সারিয়ে ফেরা সনিকে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ করে দিয়েছিলেন বাগান কর্তারা। তবে মরসুমের মাঝপথেই চোট পেয়ে বেশ কিছু ম্যাচ বাইরে কাটাতে হয় তাঁকে। সেই সময়েই পয়েন্ট নষ্ট করে খেতাব জয়ের বাইরে চলে যায় মোহনবাগান। প্রথম ডার্বিতে সনি না খেলায় হারতে হয়েছিল সবুজ মেরুন শিবিরকে।

তবে প্রত্যাবর্তনের ডার্বিতে সনি নিজে দাঁড়িয়ে দলের হার দেখেন। দলের বাকি ফুটবলারদের মতো তিনিও মহারণে আটকে গিয়েছেন আলেয়ান্দ্রোর কৌশলী স্ট্র্যাটেজিতে। সনি থাকলে ডার্বি হারে না মোহনবাগান— সেই মিথ চূর্ণ করে দিয়েছেন জবি জাস্টিনরা। তারপরেই হাইতিয়ান তারকার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল সমর্থকদের কাছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ব্যঙ্গ বিদ্রুপেরও শিকার হচ্ছিলেন ম্যাজিশিয়ান। এমন আবহেই গোকুলমের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ফের ঝলসে উঠতে ব্যর্থ তিনি। তিনি একটি গোলের ক্ষেত্রে সহায়তা করলেও, দলকে জেতাতে ব্যর্থ।

গোকুলমের বিরুদ্ধে পয়েন্ট নষ্ট করার পরেই সনির স্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরণ ঘটান। নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি সাফ লিখে দেন, ‘‘সিরিয়াসলি! একজন ফুটবলারকে ডিফেন্ডার, মিডফিল্ডার, ফরোয়ার্ড, গোলকিপার হিসেবে খেলতে হবে। ফুটবল যদি এমনটাই হতো, তা হলে মেসি ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে দিত।’’

তিনি কোথাও সনির নাম উল্লেখ না করলেও ফেসবুক পোস্টেই পরিষ্কার, সনিকে যেভাবে সমালোচনার শিকার হতে হচ্ছে, তারই জবাব দিতে চেয়েছেন তিনি। বলতে চেয়েছেন, সনি একা চেষ্টা করলেও কিছু হবে না। ফুটবল দলগত খেলা। জয় আনতে প্রত্যেকেই ভাল খেলতে হবে। শুধু সনির পারফরম্যান্স যাচাই করে সমালোচনা করা উচিত নয়।