নড়িয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের কোপে পিতা নিহত ও মা আহত

0
29

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ঃ শরীয়তপুরের নড়িয়ায় মাদকাসক্ত ছেলে ধরালো বটি-দা দিয়ে এলোপাথারি কুপিয়ে পিতাকে হত্যা করেছে এবং মা পিয়ারা বেগমকে একই অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করেছে।

স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় মা পিয়ারা বেগমকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। আজ রোববার ৩ ফেব্রুয়ারী বিকাল ৫টায় উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের আনাখন্ড গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় পরবর্তী স্থানীয় লোকজন ঘাতক ছেলে নাইম বেপারীকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে। নড়িয়া থানা, ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম বেপারী ও ঘাতকের পরিবার সুত্রে জানা গেছে, ভোজেশ^র ইউনিয়নের আনাখন্ড গ্রামের আব্দুর রহিম বেপারীর ছেলে নাঈম (২২) দীর্ঘ দিন ধরে মাদকাসক্ত হয়ে মানষিক ভারসাম্যহীন রয়েছে। নাঈম নেশা করে মাঝে মধ্যেই পরিবারের সদস্যদের মারধর করত।

নাঈমের বাবা মৎস ব্যবসায়ী রহিম বেপারী যশোর থেকে মাছের পোনা ক্রয় করে আজ রোব বার বিকাল ৫ টায় বাড়ী ফেরে। এ সময় ঘরে থাকা জিনিস পত্র এলোমেলো দেখে সংসারের বিষয় নিয়ে রহিম বেপারী ও তার স্ত্রী পিয়ারা বেগমের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। হঠাৎ
করেই ছেলে নাঈম বেপারী রান্না ঘর থেকে বটি-দা নিয়ে মা পিয়ারা বেগমকে এলোপাথারী কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।

বাবা রহিম বেপারী আগাইয়া গেলে তাকেও এলোপাথারী গলায় ও পিঠে কুপিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় নাঈম। এরপর রহিম বেপারীর পায়ের রগ কেটে ফেলে। ঘটনাস্থলেই রহিম বপারী মারা যায়। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় পিয়ারা বেগমকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

ঘটনায় পর স্থানীয় লোকজন ঘাতক ছেলে নাইম বেপারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ
করেছে। রহিম বেপারীর চাচাতো ভাই আব্দুল লতিফ বেপারী বলেন, নাঈম অনেক
দিন ধরে মাদকাসক্ত।

মাঝে মধ্যেই পরিবারের লোকজনদের মারধর করতো। আজ তার বাবাকে কুপিয়ে হত্যা ও মাকে কুপিয়ে জখম করেছে। নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, ছেলে পিতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।

ঘটনা পরবর্তী আমরা ঘাতক ছেলেকে গ্রেফতার করেছি। একই সময় তার মাকেও কুপিয়ে জখম করেছে।