অব্যাহত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে লালমনিরহাট জুড়ে ভোগান্তি !

0
116

শাহিনুর ইসলাম প্রান্ত,লালমনিরহাট প্রতিনিধি: ভোরের আলো ফুটে উঠার আগেই মেঘে ঢাকা আকাশ ফুঁড়ে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি নামে লালমনিরহাটে। বৃষ্টিমুখর এ শীতল পরিবেশে মানুষদের জন্য সহনীয় হলেও কিছুটা বিপাকে পড়েছেন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। সাত-সকালেই বৃষ্টিতে আধভেজা হয়ে অনেকেই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। এছাড়াও ভাঙাচুরা রাস্তার বিড়ম্বনা তো আছেই। সব মিলিয়ে সকাল ও বিকেলের এই লাগাতার গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি বিড়ম্বনা হয়েই দেখা দিয়েছে লালমনিরহাট জেলাবাসীর জন্য।

শনিবার সকাল ৯টায় হাতীবান্ধা সরকারি এসএস হাইস্কুল গেইট প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আধভেজা শরীরে কেন্দ্রে প্রবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা। কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের কেন্দ্র পড়েছে এই স্কুলটিতে। আবার এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে পাশে অবস্থিত শাহ গরীবুল্লাহ মধ্যেমিক বিদ্যালয়ে।

সড়কের বিভিন্ন স্থানে সুড়কি উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। একটু বৃষ্টিতেই যেখানে জল-কাদা একাকার হয়ে যায়; সেখানে সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি একনাগাড়ে বয়ে যাওয়া ভোগান্তি পৌঁছেছে চরম পর্যায়ে। সকাল সাড়ে ৬টায় শুরু হয় গুঁড়ি-গুঁড়ি বৃষ্টি। বিকেলের দিকেও দেখা যায় রাস্তা ছিলো প্রায় ফাঁকা। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া মানুষ তেমন ঘরের বাইরে বের হননি।

অতি প্রয়োজনে যারা বের হয়েছেন; সঙ্গী ছিলো ছাতা-অথবা রেইন কোর্ট। দিবসটি শনিবার হওয়ায় সরকারি চাকুরেদেরও তেমন তাড়া ছিলো না ঘরের বাইরে বের হওয়ার। শুধু শিক্ষার্থী-পরীক্ষার্থীরাই প্রাকৃতিক প্রতিকূলতাকে জয় করে বের হয়েছেন রাস্তায়।

হাতীবান্ধা উপজেলা সাইফুল ইসলামসহ অনেক রিকশাচালক বলেন, সকাল থেকে আকাশটা অনেক খারাপ । ভাবতে পারিনি সকাল থেকে এখন পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হবে। এখন পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেই ঠাণ্ডা সহ্য করে রিকশা চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। এতে হাত-পা শীতল হয়ে যাচ্ছে।

একই উপজেলার চা বিক্রেতা আলমগীরের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এক বারে পানি হয়ে থেমে গেলেইতো হয়। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে মানুষ বাড়ি থেকে তেমন বের হচ্ছে না। তাই রাস্তা অনেকটাই ফাঁকা। অন্যদিন এই সময়ে অনেক ক্রেতা এখানে উপস্থিত হয়। কিন্তু আজ সেই তুলনায় অনেক কম।