দেশেই পাটপণ্যের বড় বাজার হবে: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

0
93

দেশে ১৬ কোটি মানুষ। এখানে রয়েছে পাটপণ্যের বিশাল বাজার। আমাদের বহুমুখী পাটপণ্য এখন শুধু জনগণের দোর গোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে, সহজলভ্য করতে হবে। পরিচিতি বাড়ানোর জন্য আগামীতে আমরা বেশি বেশি করে মেলা করবো। যাতে  জনগন এ পণ্য সম্পর্কে জানতে পারে।

বৃহস্পতিবার রাতে বহুমুী পাটপণ্য মেলা- ২০১৯ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী  গোলাম দস্তগীর গাজী এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দুই দিনব্যাপী পাটপণ্য মেলা হয়। শিল্পমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে পাটমন্ত্রী বলেন, অনেকে জানেই না এখানে মেলা হচ্ছে। যারা স্টল নিয়েছেন তাদের এটা নিয়ে হয়তো দু:খ আছে। তবে  আমি বলছি আগামীতে এতো মেলার আয়োজন হবে যে, তাতে আপনারা খুশি হবেন। যেখানে জনসমাগম  হয় সেই যায়গায় মেলা  আয়োজন করা হবে। আপনাদের মন ভরে যাবে। শুধু পাট পণ্য উৎপাদন করলেই হবে না এটা বিক্রিও করতে হবে। বিদেশে রফতানির সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারেও চাহিদা সৃষ্টি করতে হবে। যত বেশি  বিক্রি হবে, এ পণ্যে উৎপাদনের সার্থকতা ততই বাড়বে।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, বহুমুখী পাটপণ্য দেখে আমি আবাক হয়েছি। পাট দিয়ে এত কিছু তৈরি করা যায়, আমি ভালোবেসে ফেলেছি।  বলতে পারেন প্রথম দেখাতেই প্রেম। ধন্যবাদ আমার বন্ধুকে (পাট মন্ত্রী) আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য।  শিল্প মন্ত্রণায়ের পক্ষ থেকে এজন্য যা করা প্রয়োজন, আমরা তাই করবো। কথা দিচ্ছি, আমাদের মেলাতেও পাট পণ্যের জন্য আলাদা স্টল থাকবে।  আপনাদের জন্য এমন ব্যবস্থা করা হবে যেন সারা বছরই পাটপণ্য আপনারা প্রদর্শনী ও বিক্রয় করতে পারেন। পূর্বাচলে আপনাদের জন্য যে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এ সময় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রণালয়ের নির্বাহী পরিচালক রীনা পারভীন।

এর আগে দুই মন্ত্রী মেলার স্টলগুলো ঘুরে দেখেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে মেলায় অংশ নেয়া উদ্যোক্তার মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার তুলে দেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রী।

পাটের বহুমুখী ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি)’ এ মেলার আয়োজন করে। ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবসের দিন এ মেলার শুরু হয়। এবার দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য  ছিল- ‘সোনালি আঁশের সোনার দেশ, জাতির পিতার বাংলাদেশ’।