৬ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী

0
41

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

সোমবার সচিবালয়ে আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আগামী ১ এপ্রলি থেকে ৬ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। 

তিনি বলেন, অনেক ধরনের কোচিং আছে। যেহেতু একই জায়গায় বিভিন্ন কোচিং থাকে। অনেকে অসাধু উপায়ে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কোচিং করিয়ে থাকে। সেটি এরই মধ্যে প্রতিয়মান হয়েছে। তাই সব কোচিং বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি জানান, এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা-এইচএসসিতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন। পরীক্ষাকে নকলমুক্ত রাখতে সভায় নেয়া হয় বেশকিছু সিদ্ধান্ত। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগেই সব শিক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে আসেতে দেরি করলে তা কেন্দ্রের রেজিস্ট্রারে নাম, ক্রমিক নং ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করতে হবে। বিষয়টি কেন্দ্র সচিব অবশ্যই বোর্ডকে অবহিত করবেন। 

কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইজ নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ছবি তোলা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না এমন একটি মোবাইল ফোন শুধুমাত্র কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত সচিব ব্যবহার করতে পারবেন। 

প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন করে নির্বাহী মেজিস্ট্রেট থাকবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, নির্বাহী মেজিস্ট্রেট ট্রেজারি বা থানা হেফাজত থেকে কেন্দ্র সচিবসহ প্রশ্ন বের করে পুলিশ প্রহরায় সব সেটের প্রশ্ন কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নের সেট কোড ঘোষণা করা হবে। সেই অনুযায়ী কেন্দ্রের নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেট সরকারি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে প্রশ্নের প্যাকেট বিধি মোতাবেক খুলবেন।

পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারীদের মোবাইল, মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যবহারের অনুমতিবিহীন যে কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইজ ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি। 

তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে ও পরে যদি কোনো মোবাইল নম্বরে একাধিকবার একই অংকের টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট এজেন্টকে নিকটস্থ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে।