জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের জন্য মে-র দুঃখপ্রকাশ

0
77

আজ থেকে শতবর্ষ আগে ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের অমৃতসর শহরে ইংরেজ সেনানায়ক ব্রিগেডিয়ার রেগিনাল্ড ডায়ারের নির্দেশে এক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। যা ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কুখ্যাত গণহত্যা। বুধবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেজা মে ব্রিটিশ বাহিনীর সেই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের জন্য গভীর দুঃখপ্রকাশ করলেন৷

তবে তিনি ওই ঘটনার জন্য পুরোপুরি ক্ষমা চাননি৷ ব্রিটিশ সংসদে দাঁড়িয়ে ওই হত্যাকাণ্ডের শতবর্ষে টেরেজা মে বলেন,‘‘ আমরা গভীর ভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি সেদিনের ঘটনা এবং ভোগান্তির জন্য৷’’তবে প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনক দেখা গিয়েছে স্পষ্ট ভাবে পুরোপুরি নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে৷

এর আগে প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামারুন ২০১৩ সালে পরিদর্শনে আসার সময় ওই ঘটনার জন্য, ক্ষমা না চাইলেও রীতিমতো লজ্জিত বলে জানিয়েছিলেন৷ আগামী শনিবার ওই ঘটনাস্থলে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে৷

শতবর্ষ আগে ওইদিনে অমৃতসর শহরের জালিয়ানওয়ালাবাগ নামক একটি বদ্ধ উদ্যানে সমবেত নিরস্ত্র জনগণের উপর গুলিবর্ষণ করা হয়েছিল। এই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইংরেজ সরকারের দেওয়া “নাইটহুড” উপাধি ত্যাগ করেন।

জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড (অমৃতসর হত্যাকাণ্ড) ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কুখ্যাত গণহত্যা। ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল তারিখে অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের অমৃতসর শহরে ইংরেজ সেনানায়ক ব্রিগেডিয়ার রেগিনাল্ড ডায়ারের নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

এই শহরের জালিয়ানওয়ালাবাগ নামক একটি বদ্ধ উদ্যানে সমবেত নিরস্ত্র জনগণের উপর গুলিবর্ষণ করা হয়েছিল। এই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইংরেজ সরকারের দেওয়া “নাইটহুড” উপাধি ত্যাগ করেন।