মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন

0
24


ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস- ২০১৯ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর নেতৃত্বে ১৭ এপ্রিল সকাল ৮টায় ৩২ ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে সমাবেশ ও ‘মুজিবনগর দিবস ও স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুল ইসলাম তালুকদার, পাঠাগার সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন খান, নির্বাহী সদস্য মো. মাসুদ আলম, সদস্য লায়ন সালাম মাহমুদ,  লায়ন খান আক্তারুজ্জামান, মাওলানা কবি শামসুল হক হাবিবী, কবি খাদেমুল ইসলাম, পলাশ চৌধুরী, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, কাজী ফারুক খান বাবুল, মোঃ আনোয়ার হোসেন,নাদিকুর রহমান, প্রিয়াঙ্কা ইসলাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ এর সভাপতি এম এ জলিল, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান মিজু, ড. ইঞ্জিনিয়ার মাসুদা সিদ্দিক রোজী, মোঃ হুমায়ুন কবির হিমু প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেন, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস এক অবিস্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করে। এই সরকারের যোগ্য, বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা অর্জন করি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। যা বাঙালি জাতির ইতিহাসে সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম।

এইদিন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। এই ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন সংবিধান। এই সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই ঘোষণাপত্রে মানুষের মানবিক মর্যাদা, সাম্য ও ন্যায্যতা সুনিশ্চিত করা হয়েছে।

মুজিবনগর দিবস, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য। এই দিবসটি জাতীয় মর্যাদায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা উচিত। নতুন প্রজন্মকে মুজিবনগর দিবসের চেতনায় ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে তুলতে হবে। তিনি ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও তাৎপর্য শিক্ষাক্রমের সকল স্তরে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভূক্ত করার আহ্বান জানান।