শরীয়তপুর বাজাজ সেন্টার থেকে ক্যাশব্যাক সুবিধা পেলেন কেরামত আলী

0
104


খোরশেদ আলম বাবুল, শরীয়তপুর ঃ শরীয়তপুর জেলা শহরে অবস্থিত বাজাজ সেন্টারে সকল প্রকার বাজাজ মোটর বাইক বিক্রিতে স্ক্যাচ কার্ড, নগদ টাকা ফেরত সুবিধার পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে শতভাগ ক্যাশব্যাক অফার চালু করা হয়েছে।

রমজান মাসের প্রথম দিন বাজাজ সেন্টার থেকে ডিসকোভার ১২৫ সিসির একটি নতুন বাইক কিনে শতভাগ ক্যাশব্যাক সুবিধা পেয়েছেন পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. কেরামত আলী। দ্বিতীয় রমজান বুধবার দুপুর ১২টায় বরিশাল ব্রাঞ্চের শাখা ব্যবস্থাপক খন্দকার বেলাল উদ্দিন হাফেজ মো. কেরামত আলীর হাতে নতুন মোটর বাইকটি হস্তান্তর করেন। এ সময় শরীয়তপুর বাজার সেন্টারের সত্ত্বাধিকারী আলহাজ্ব মো. আলমগীর হোসেন সহ বাজাজা সেন্টারের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

বরিশাল ব্রাঞ্চের ব্যাবস্থাপক খন্দকার বেলাল উদ্দিন বলেন, আমাদের প্রতিটি গাড়ির সাথে ২ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় অফার রয়েছে। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে শতভাগ ক্যাশব্যাক অফারও চালু করা হয়েছে। শরীয়তপুর বাজাজ সেন্টার থেকে বাজাজ ডিসকোভার ১২৫ সিসির একটি গাড়ি ক্রয় করে স্ক্যাচ কার্ড ঘষে একজন গ্রাহক শতভাগ ক্যাশব্যাক বিজয়ী হয়েছে। এ গাড়ির জন্য এই গ্রাহক কোম্পানীকে একটি টাকাও দিবেনা। আজ (বুধবার) আমরা গ্রাহককে গড়ি হস্তান্তর করেছি।

কেরামত আলী বলেন, আমি আমার পুরাতন মোটর বাইকটি বিক্রি করে একটা নতুন গাড়ী ক্রয়ের জন্য বাজার সেন্টারের আসি। বাজার সেন্টারের সত্ত্বাধিকারী আলহাজ্ব আলমগীর হোসেন এর সাথে আলাপ করে বাজাজ ডিসকোভার ১২৫ সিসির একটি মোটর সাইকের দরদাম চুড়ান্ত করি। পরে আলমগীর ভাই আমাকে একটা স্ক্যাচ কার্ড দিয়ে ঘষতে বলে।

কার্ডটি ঘষতেই দেখি শতভাগ ক্যাশব্যাক লেখা বাহির হয়ে আসছে। তখন আমার কাছ থেকে নতুন মোটর বাইকের জন্য কোন টাকা নেয়া হয় না। আলহামদুলিল্লাহ। পবিত্র রমযান অফারে আমি বিনা মূল্যে একটা গাড়ি পেয়েছি। রমজান মাসে এ সুযোগ করে দেয়ার জন্য আমি এ গাড়ির, কোম্পানী ও বাজাজ সেন্টারের মালিক এবং এর সাথে সম্পৃক্ত সকলের দীর্ঘায়ু কামনা করছি। এ গাড়ীর কোম্পানী উত্তরোত্তর উন্নতী লাভ করবে বলে আমি আশাবাদী।

বাজাজ সেন্টারের সত্ত্বাধিকারী আলহাজ্ব মো. আলমগীর হোসেন বলেন, রমাজ উপলক্ষে কোম্পানী শতভাগ ক্যাশব্যাক অফার সহ নগদ টাকা ব্যাক অফার হাতে নিয়েছে। এতে গ্রাহকের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। গ্রাহকের সংখ্যাও বেড়েছে। আজ বাজাজ সেন্টার থেকে একজন গ্রাহক শতভাগ ক্যাশব্যাক সুবিধা পেয়েছে। আমি খুব আনন্দিত যে আমার মাধ্যমে একজন গ্রাহম শতভাগ ক্যাশব্যাক সুবিধা পেল।