কালিগঞ্জ উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার অদ্ভুত জালিয়াতি

0
100

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ কালিগঞ্জ উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আসলাম আলী ভুইঁয়া তিনি থাকেন খুলনা ফুলতলায় আর অফিস করেন কালিগঞ্জ। তবে তার কালিগঞ্জ উপজেলা ডরমিটরিতে সিট বরাদ্ধ নেওয়া আছে। তিনি অফিসে ঠিক মত উপস্থিত থাকেন না অথচ প্রতি মাসের বেতন ভাতা উত্তোলন করেন।

বুধবার সকাল ১১ টা ৩৯ মিনিটি তার অফিসে হাজির হতে দেখা গেছে, তিনি অফিসে নাই, খালি চেয়ার পড়ে আছে। তার অফিস সহায়ক সোহেল রানা, ও অফিস সহকারী বিলকিস অফিসে উপস্থিত আছেন।

তাদের নিকট কর্মকর্তা কোথায় আছেন জানতে চাইলে অফিস সহকারী বিলকিস বলেন, স্যার মোবাইল করে বলেছেন ফিল্ডে আছেন। জানতে চাই কোন ফিল্ডে আছেন বলেন বারবাজার এলাকায়।

উপজেলা সমবায় অফিসারের ……….৪১৯২ নং মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেননি। জেলা সমবায় কর্মকর্তা জনাব সৈয়দ নুরুল কুদ্দুস …….৫৬৭০০০ নং মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন শুনেছি কালিগঞ্জ উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ঠিকমত অফিস করেন না।

তার বিরুদ্ধে গত ২১/০৪/১৯ এবং ০৫/০৫/১৯ তারিখ ২টি শোকজ করে খুলনা বিভাগিয় অফিসে লিখিত পাঠানো হয়েছে। তার পরও তিনি অফিসে আসেন না আমি কি করব বলুন। সাংবাদিকরা জানতে চাই তিনি গত রবিবার ০৫/০৫/১৯ তারিখ তিনি অফিসে হাজির ছিলেন না হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর হল কিভাবে। জেলা কর্মকর্তা বলেন এটা উনিই (উপজেলা কর্মকর্তা) ভাল বলতে পারবেন।

কালিগঞ্জ উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আসলাম আলী ভুইঁয়া দীর্ঘদিন এভাবে অফিস না করে একাধিক দিন অনুপস্থিত থাকেন। কয়েকদিন পর এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। এভাবে গুদামিল দিয়ে তিনি অফিস করেন আর বেতন ভাতা উত্তোলন করেন। অনেক সময় হাজিরা খাতায় অগ্রিম স্বাক্ষর করে বাড়ি চোলেযান,আর অফিসের অন্যান্য কর্মরতরা থাকেবহাল তবিয়তে। তাদের কাছে কেউ কিছু শুনলে বলেন, স্যার বাইরে বা ফিল্ডে আছে। এভাবে দীর্ঘদিন অফিস ফাঁকি দিয়ে আসছে ঐ কর্মকর্তা। তিনি অফিস ফাঁকি দিয়ে নিজ বাড়ি ফুলতলায় থাকে।

এ ব্যাপারে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবর্ন রানী সাহা বলেন আমি শুনেছি উনি অফিসে ঠিকমত থাকেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা সমবায় অফিসের সকলকে তার রুমে ডেকে পাঠান হাজিরা খাতাসহ। ইউএনও, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো: আসলাম আলী ভূইঁয়াকে …….৭২৪১৯২ নং মোবাইলে ফোন দিলে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলেন আমি বারবাজার বাদুরগাছা ফিল্ডে আছি।

কালিগঞ্জ ইউএনও বলেন আপনি ঐ খানে থাকেন আমি আসছি। এ কথা শুনে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোবাইল ফোন কেটে দেন।