ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েই ফাইনালে বাংলাদেশ

0
48

সুযোগ ছিল বৃহস্পতিবার আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার। কিন্তু সেই ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় তা হয়নি। বাংলাদেশের হাতে আরো একটি ম্যাচ আছে। সেটিও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। তবে সেই ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করেনি টাইগাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্বিতীয়বার হারিয়েই এক ম্যাচ হাতে রেখে ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে টাইগাররা। ফলে বুধবার স্বাগতিকদের বিপক্ষে ম্যাচি বাংলাদেশের জন্য শুধু আনুষ্ঠানিকতা।

ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকেই পাবে বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডকে দুইবার হারিয়ে এরই মধ্যে ফাইনাল নিশ্চিত করে রেখেছে তারা। যদিও বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচই হেরেছে জেসন হোল্ডারের দল। সোমবার ব্যাটসম্যানদের কাজটা বোলাররাই সহজ করে দিয়েছেন আগে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বেঁধে দিয়েছে ২৪৭ রানে। আর সতর্ক কিন্তু স্থিরলক্ষ্য ব্যাটিংয়ে সেই টার্গেট ৫ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়ে গেছেন সৌম্য-মুশফিকরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে এদিনও সতর্ক শুরু করেন সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবাল। তবে ওপেনিং জুটিতে অর্ধশত রান আসার পর অ্যাশলি নার্সের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তামিম। এদিন ২১ রানই করতে পারেন তিনি।

তবে অন্য ওপেনার সৌম্য দারুণ ধারাবাহিকতা দেখান। এদিনও তিনি হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। সাকিব আল হাসানের সাথে আরেকটি পঞ্চাশোর্ধ জুটি গড়ার পথে ৫৪ রান করেন তিনি। সৌম্যও শিকার হন নার্সের। তবে নার্সের ওই ওভারেরই দুই বল আগে বিদায় নেন সাকিবও। ৩৫ বল খেলে ২৯ রান করেন সাকিব।

এরপর মোহাম্মদ মিঠুনের সাথে জুটি গড়েন মুশিফকুর রহীম। এই জুটিতেই জয়ের পথ পরিস্কার হয়ে যায় বাংলাদেশের। হাফ সেঞ্চুরি থেকে ৭ রান দূরে থাকতে আউট হয়ে যান মিঠুন। তার আগে মুশফিকের সাথে ৮৩ রানের জুটি গড়েন। মুশফিক আউট হন ব্যক্তিগত ৬৩ রানে। ততক্ষণে অবশ্য ৭ রান দূরে চলে আসে বাংলাদেশ। সেটা সাব্বির রহমানকে (০*) নিয়ে নিশ্চিত করে ফেলেন মাহমুদউল্লাহ (৩০*)।

জয়ের পথে ৪৭.২ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪৮ রান করে বাংলাদেশ। এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪৭ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।