বাংলাদেশকে ২৯৩ রানের লক্ষ্য দিলো আয়ারল্যান্ড

0
43

ত্রিদেশীয় সিরিজে  দুই ক্যাচ মিসের ভুলে বড় লক্ষ্য পেয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিক ওপেনার পল স্টার্লিংয়ের অসাধারণ সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৯২ সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। আইরিশ এই ওপেনার দুইবার জীবন পেয়ে সেঞ্চুরি করে মাঠ ছাড়েন।

ডাবলিনে আজ (বুধবার) বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সফল আবু যায়েদ রাহী। তিনি ৯ ওভারে ৫৮ নেন পাঁচ উইকেট। এছাড়া সাইফউদ্দিন দুটি ও রুবেল নেন একটি উইকেট।  ফিল্ডিংয়ে দুই ক্যাচ মিসের মাশুল দিয়েছে। 

অথচ এদিন ইনিংসের চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলেই উইকেট শিকার করেন রুবেল হোসেন। জেসন ম্যাককুলামের ব্যাট ছুঁয়ে সোজা চলে গেল স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা লিটন দাসের তালুতে। দলীয় ২৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। 

বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় উইকেটটি তুলে নেন আবু জায়েদ। ইনিংসের ১১তম ওভারে তিনি ফেরান অ্যান্ডি বালবার্নিকে। ২০ বলে ২০ রান করে আবু জায়েদের লেগ স্টাম্পের ওপর পড়া একটি বল পুল করতে গিয়ে মিসটাইম করে বসেন বালবার্নি। ব্যাটের নিচে স্পর্শ করে বল চলে যায় উইকেটের পেছনে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের হাতে। 

কিন্তু এরপর আইরিশ ওপেনার পল স্টার্লিংয়ের দুটি ক্যাচ মিস। মোসাদ্দেকের করা ২১তম ওভারের শেষ বলে তাঁর ক্যাচ ধরতে পারেননি সাব্বির রহমান। সাকিবের করা পরের ওভারে প্রথম বলে আবারও স্টার্লিংয়ের ক্যাচ মিস করেন সাইফউদ্দীন।

পরপর দুই ওভারে দুই বলে দুটি ‘জীবন’ পাওয়া স্টার্লিং বাংলাদেশকে ভুগিয়েছে। স্বাগতিক এই ওপেনার উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডকে নিয়ে বড় জুটি গড়েন। সেই সাথে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি।

অবশেষে দলীয় ২৩৩ রানের মাথায় এই জুটি ভাঙেন পেসার আবু যায়েদ রাহী। অধিনায়ক পোর্টারফিল্ডকে ব্যক্তিগত ৯৪ রানের মাথায় লিটনের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান। ১০৬ বলে সাত বাউন্ডারি ও দুই ছক্কায় এ রান করেন তিনি।

শেষ মুহূর্তে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামা রাহী। কেভিন ও’ব্রেইন ব্যক্তিগত ৩ রানে ফিরিয়ে দিয়ে তৃতীয় উইকেট পূর্ণ করেন।

এরপর ৪৬.৪ ওভারে দলীয় ২৬৪ রানের মাধায় স্টারলিংকে বিদায় করেন রাহী। স্বাগতিক এই ওপেনার ১৪১ বলে আট বাউন্ডারি ও চার ছক্কায় ১৩০ রানের অসাধারণ ইনিংস উপহার দেন। এছড়া অবশ্য আইরিশ আর কোন ব্যাটসম্যান বড় স্কোর গড়তে পারেনি।