অবশেষে বিয়ের পিড়িতে বসতে বাধ্য হলেন এল.কে শিমুল !

0
702


শরীয়তপুর প্রতিনিধি ঃ শরীয়তপুর জেলা শহরের ব্যস্ততম চৌরঙ্গী বাজারের নিরাময় ডেন্টাল এর ডেন্টিস্ট লিটন কির্তনিয়া শিমুল (এল.কে শিমুল) অবশেষে বিয়ের পিড়িতে বসতে বাধ্য হয়েছে। এর পূর্বে বিয়ে নামক নাটক করে অনেকবার পিছলে গেলেও এবার শেষ রক্ষা পেল না তিনি।

চৌরঙ্গী এলাকার শরীয়তপুর ফিজিওথেরাফি এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অভ্যর্থনা আসনে কর্মরত পোষন রাণী পূজাকে প্রথমে হিন্দু বিবাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে কাবিন রেজিস্ট্রি করে এবং পরে শরীয়তপুর জিও মন্দিরে গিয়ে পুরোহিত সুকুমার চক্রবর্তীর মাধ্যমে হিন্দু রীতিনীতি অনুযায়ী সকল কার্য সম্পাদান করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ডেন্টিস্ট শিমুল।

বিবাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রত্যক্ষ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন শরীয়তপুর সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হোসেন সরদার সহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ, বাজারের ব্যবসায়ী, অন্যান্য দাতব্য চিকিৎসক ও বিভিন্ন ক্লিনিকে কর্মরত লোকজন।

কাবিন নামা, বিবাহ কার্য সম্পন্নকারী ঠাকুর ও বাজারের ব্যবসায়ী সূত্রে জানাযায়, এল.কে শিমুল শরীয়তপুর সদর উপজেলার কাশিপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের জয়দেব কির্তনিয়ার ছেলে। শিমুল জেলা শহরের চৌরঙ্গী এলাকায় নিরাময় ডেন্টাল নামে একটি দাতব্য চিকিৎসা খুলে প্রায় ১৫ বছর ধরে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে।

ইতোমধ্যে একাধিকবার অসামাজিক কার্যক্রমে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। বিবাহ নাটক করে অনেকবার পিছলে যাওয়ার কথাও রয়েছে এই শিমুলের বিরুদ্ধে।

এইবার ডামুড্যা উপজেলার পৈতকাঠি গ্রামের সুশান্ত বেপারীর মেয়ে ও শরীয়ত পুর ফিজিওথেরাফি এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অভ্যর্থনায় চাকরিরত পোষণ রাণী পূজাকে বিবাহ করে ষোলকলা পূর্ণ করেছেন ডেন্টিস্ট শিমুল। এই বিবাহ নিয়েও অনেক নাটক করেছেন শিমুল ও তার পরিবার।

অবশেষে বুধবার (৭ আগস্ট) রাত ১২টায় পালং মডেল থানার বিপরীতে জিও মন্দিরে নিয়ে শিমুল ও পূজার বিয়ের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন উপস্থিত লোকজন। বিবাহ অনুষ্ঠানে এল.কে শিমুলের বোন মিতু রাণী কির্তনিয়া ও ভাই পলশ কির্তনিয়া এবং পূজার বাবা সুশান্ত বেপারী উপস্থিত ছিলেন।

বিবাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে ধারণা করছেন, যেহেতু রাষ্ট্রীয় ও হিন্দু বিধি বিধান মেনে বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে সেহেতু এই দম্পতি সুখী হবে। উপস্থিত সকলে এই নব-দম্পতির জন্য প্রান খুলে আশির্বাদ করেছে।