শরীয়তপুরে আয়কর মেলার সমাপনী দিনে উপচেপরা ভীর !

0
57


খোরশেদ আলম বাবুল, শরয়িতপুর ॥ গত ১৫ নভেম্বর শুক্রবার থেকে শরীয়তপুরে আয়কর মেলা ২০১৯ শুরু হয়। চার দিনব্যাপী কর মেলার সমাপনী দিন সোমবারেও ছিল করদাতাদের উপচেপরা ভীর। সবাই রিটার্ণ দাখিল করতে ব্যস্ত ছিল সারাদিন। সমাপনী দিনে মেলাস্থল দেখলে যে কেউ মনে করবেন এ রিটার্ণ দাখিল না যেন কর উৎসব। মেলাস্থল ঘুরে প্রতিবেদন করছেন খোরশেদ আলম বাবুল।

কর অ ল ৭-ঢাকা অ লের অধীনে শরীয়তপুর জেলার সহকারী কর কমিশনা রের কার্যালয় থেকে কর মেলার আয়োজন করা হয়। এই কার্যালয়ের সহকারী করকমিশনার মো. হাফিজুল ইসলাম জানান, সারাদেশের ন্যায় শরীয়তপুর জেলা সদরে করমেলা আয়োজন করা হয়। করদাতাতের সাহায্যার্থে জাজিরা উপজেলায় একটি ভ্যানু রাখা হয়।

রোববার পর্যন্ত বিগত তিন দিনে জেলা জাজিরা ভ্যানুসহ জেলা সদরে মোট রিটার্ণ জমা পরেছে ১ হাজার ১৮২টি। আদায় হয়েছে ২৭ লাখ ৭৯ হাজার ৬৯৩ টাকা। সহযোগিতা পেয়েছে ৩ হাজার ৬০৮ জন।

নতুন ই-টিন নিয়েছে ৪৩ জন। সমাপনী দিনেও করদাতাদের যথেষ্ট উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। করদাতাদের সুবিধার্থে মেলায় ১০টি স্টল রয়েছে। সেখানে ব্যাংকিং সুবিধাও রয়েছে। করদাতাদের কোন ভাবেই হয়রানী হতে হয় না।

সমাপনী দিনে কর মেলায় উপস্থিত করদাতাদের সাথে কথা বলে জানাগেছে তাদের বেশীর ভাগই সরকারী চাকুরিজীবী। বছরের অন্যান্য সময় কর প্রদান না করে ভীর করে মেলায় সময় কর প্রদান করেন কেন? জবাবাবে করদাতারা জানায়, মেলার সময় গুরুত্বের সাথে অল্প সময়ে কাজটা করে দেয়।

তাই মেলার সময় কর পরিশোধ করতে আসেন করদাতারা। করদাতারা আরও জানায়, কর প্রদানের পুরাতন ফরমেট সহজ ছিল। বর্তমানে যে ফরমেটে কর ফরম করা হয়েছে তা জটিল। বিষয়টি অনেকে বুঝতে পারে না। তাই করের প্রতি আগ্রহ হারায় অনেকে।

নিজের কষ্টার্জিত টাকা কর হিসেবে প্রদান করতে কেমন লাগে? করদাতারা জানায়, আমরা কর উপযোগী ফিগারে আয় করি তাই কর প্রদান করি। এই করের টাকায় দেশের বিভিন্ন সেক্টরগুলো উন্নত হচ্ছে।

যারা করের আওতায় আসেনি তারাও সেই সুবিধা ভোগ করছে। এই বিষয়টি ভালই লাগে। আমরা যদি আরও বেশী আয় করে বেশী বেশী কর প্রদান করতে পারতাম তাহলে অনেক বেশী খুশি হতাম।

তবে যারা সঠিক ভাবে কর প্রদান করছে না তারা দেশের প্রকাশ্য শত্রু। তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা উচিৎ।