আপেল ফলের যত গুণ!

0
315

সভ্যতার শুরু থেকে মানুষের সঙ্গে যে ফলটির সম্পর্ক তা হল আপেল। আপনি আদম আর ইভের গল্প তো নিশ্চয়ই জানেন। আপেলে কামড় বসিয়ে তো সম্পর্কের শুরু। শুরু মনুষ্য জাতির। অন্তত ইতিহাস তো তেমন কথাই বলে। এমন একটি ফলকে অযথা হেলাফেলা করা চলে না। বড় যত্নে রাখতে হয়।

তাই তো? টুকটুকে লাল হোক বা হালকা হলুদ, কখনও গায়ে লেগে থাকে সবুজের আভা। যেমনই হোক না কেন, আপেল শরীরের উপকারে লাগে। আপেলে থাকে প্রচুর ফাইবার, যা হজমে সাহায্য করে। রোজ আপেল খেলে ক্যানসারের আশঙ্কা কমে।

পাশাপাশি নিয়মিত আপেল খেয়ে টাইপ ২ ডায়াবিটিসের আশঙ্কা কমে যায়। আপেল মূলত তার মিষ্টি স্বাদের জন্য জনপ্রিয়। সারা পৃথিবীব্যাপী আপেলের চাষ হয়ে থাকে। সবচেয়ে বেশি চাষ হয় জেনাস ম্যলুস প্রজাতির আপেল। মধ্য এশিয়াকে আপেলের উৎপত্তিস্থল মনে করা হয়।

মাইগ্রেনে যাঁরা ভুগছেন তাঁরা রোজ সকালে একটা করে আপেল খালি পেটে খেয়ে দেখুন। চাঁদনি রাতে আপেল কেটে বাইরে রাখুন। সকালে খেয়ে নিন। এতে মাইগ্রেন, মাথা ধরার মত নানা রোগ সেরে যায়। আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে।

এর মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরের যে কোনও রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। আপেলের মধ্যে রয়েছে বি কমপ্লেক্স ভিটামিন। এই ভিটামিনের কাজ হল শরীরে লোহিত রক্ত কণিকা সৃষ্টি করা। শরীরের নার্ভের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এই ভিটামিন। সব মিলিয়ে শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে।

আপেলে প্রচুর আয়রন। তাই কেটে রাখলে কালো হয়ে যায়। যাঁরা অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন তাঁরা যদি রোজ আপেলের রস খান তবে উপকার পাবেন। আপেল সম্পর্কে একটা প্রবাদ আছে যে দিনে একটি আপেল খান, রোগ মুক্ত জীবন পান।

লাল আপেলের চেয়ে সবুজ আপেলের গুণ বেশি। সবুজ আপেল লাল আপেলের মতো তেমন স্বাদযুক্ত না হলেও এই আপেলের রয়েছে অনেক উপকারিতা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here