চিন্তায়- নিনাদ বৃংহতি !!!

0
109
আজ অব্দি আমরা গুজব ও সংর্কীণতা সীমাবদ্ধ। চিন্তার পরিধি চাহিদার বেঁড়াজালে ঘুরপাক খাচ্ছে। নিজেকে তথাকথিত সার্বিক সমাজে মানানসঁই করতেই ব্যাতি-ব্যাস্ত সময় পার করছি। জীবনের চাহিদা বেঁচে থাকাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে। পরিবারে- স্ত্রী,/পুত্র, কর্মে/ ধর্মে, চাকুরী /ব্যবসা, এবং নিতি কথায় আবদ্ধ হয়ে পড়ছি। মূল্যবান সময়ের সমাপ্তি ঘটছে –সমাজের বৃত্তবানদের দিকে আঙ্গুলী নিদের্শনা করে, আমিও এমনটি হতে চাই.. । এ যেন এক ধর্মের দারা, কর্মের খোরাসন—।

সংসার লংকাপুরীতে, আগুন লেগেছে, চলছে কম্ভূকর্ণের সঞ্চয়/সঞ্চয়ীতায়-ধব্বংশ যজ্ঞের নিনাদ বৃংহতি; সময় কাঁটছে, শব-স্তুতির শ্বশান ঘাটে স্বর্গীয় ধুপ দৃস্টি অবলোকন আর হরি র্কীত্তণের ধুমে..। অথচ ধুপঁবিকারে উল্লেখ– ‘মঙ্গল আকাং ব্যাক্তম চরাচর…

সভ্য সমাজের আধুনিকা, ফেসবুকে স্ট্যাটাজ দিয়ে জানিয়ে দিচ্ছে তার স্মার্টনেস ও সৌন্দর্যের কথা-অঙ্গ..ভঙ্গিতে মীরা বাঈদ । কোমর দুলিয়ে লীলা-র্কীত্তন করে বিনোদীনি সারা দুনিয়াকে জানাচ্ছে- লীলাতে মজিলে পড়ে খেলাটা বুঝবিরে.. মন—?

আদর্শবান মাষ্টারের ছেলে গাঁজা-ভাং খেয়ে মাতলামি করতে করতে বলছে‘ মহব্বত কি ছুটি-কাহানি বড়; বড় চোট খাইয়ি জোয়ানি পেরো–। বেকারত্বে যাতাকলে পৃষ্ট যুবক, চিন্তায় অস্থির। স্বপ্নকাতুতে বিলাশ ভাবনায়। যত টাকা লাগে চাকুরী চাই?

বিধবা মায়ের রাতের ঘুম হারাম হয়েছে, মাতুব্বরদের থাবা হতে নিজের সম্ভ্রম ও বসতঃবাটিকে রক্ষায়; তাই, নিত্য দিন ধন্না দিচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদে। চৌকিদার চামু হাতের লাটি ঘুরাতে ঘুরাতে বলছে ‘স্যার জন সেবায় ব্যস্ত, অণ্যদিন আসেন..

স্বগীীয় কায়দা মিম্বরে বসে ইমাম সাহেব ওয়াজ নসিহত করছেন ‘সৎ পথে চল, নামাজ পড়, রোজা কর । অথচ তার ছেলে ‘মোরগী মিলন; সারা দিন ঘুমায় আর রাত হলেই-চটি চাটে। মোয়াজ্জিন আযান দিতে পারেনি ‘বৌও ভাত রানতে দেরী করেছে বলে..

অফিসের বড়কর্তা, পিয়নের ডাকাকে সারা দিতে পারচ্ছে না ঘুমকাতুরে চোখ নিয়ে , কাল বৌয়ের সাথে ঝগড়া হয়েছে সোনার নেকলেস কিনে দিতে পারেনি বলে। কমচাঁদের জ্ঞান ফিরতেই ভীড় ভীড় করে বলছে, সোহাগী লতার ‘এ্যাঁ.. সোহাগী লতা;… এ্যা..ধ্যার্মে আয়–গা। আজ হ্যাম বহুত খুসহো—তুমবি..।

শিক্ষকের চিন্তা, —ছাত্র কথা শুনে না-এ দেশ ভাল হবার নয়; চিরাতে পানি নেই। কাজেই ভাল দেশে ষ্টাইপেন চাই।

রাজনীতিকেরা দেশবাসীকে স্বাধীনতা দিতে চাইছে..। ‘সুদূরে নেতার কন্ঠে ভেঁসে আসছে- স্বাধীন দেশে স্বাধীনতায় মূর্খ। আমরা শুধু রাজনীতি ব্যতিত সবায়কে স্বাধীনতা দিব- চলছে জনতার উল্লাস।

টুকাই মানু চিৎকার করে বলছে- আমার দাবি, ‘রাজনীতিকে-ই আগে স্বাধীনতা দিতে হবে। আমি রাজনীতি করতে চাই…। জন-কোলাহলে মানুর চিৎকার, চেঁচামেচি হারিয়ে যাচ্ছে আকাশের দূর লীলিমায়..।

চিন্তাহীন দুঃখিরাম ভাবছে, দুঃখের সীমা নাই। চিরজীবন দুঃখ করে — তরীতে পারি নাই। আজ বুঝেছি দুঃখের রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়। গুণ গুণ করে গান ধরছে– যদি তরিতে ভাসনা থাকে—ধর …রে… মন নেতার সঙ্গ; ভজরে আনন্দের গৌরাঙ্গ—–।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here