দহগ্রাম দিয়ে পালানোর সময় ভারতীয় বিএসএফ’র হাতে আটক পুলিশ ইন্সপেক্টর সোহেল !

0
219
শাহিনুর ইসলাম প্রান্ত, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম দিয়ে পালানোর সময় ভারতীয় বিএসএফ’র হাতে আটক হন ঢাকা বনানী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ সোহেল রানা।
প্রায় শত কোটি টাকা লোপাটের ই-অরেঞ্জের আলোচিত এই কর্মকর্তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না বেশ কিছু দিন। এবার খোঁজ মিললো দেশের বাহিরে ভারতীয় বিএসএফের হাতে। তিনি ধরা পরে-ছেন ভারতীয় চ্যাংড়াবান্ধা বিএসএফ’র হাতে। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ এনে মেখলিগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন চ্যাংড়াবান্ধা বিএসএফ।
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যাম জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার কর্মস্থল বনানী থানাতে দেখা মিলছিল না পুলিশের ওই কর্মকর্তার। এরই মধ্যে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারতের কুচবিহার শিলিগুড়ি হয়ে নেপালে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন বনানী থানার পুলিশ পরিদর্শক সোহেল রানা। শতকোটি টাকা লোপাট হওয়া ই-কমার্স সাইট ই-অরেঞ্জের মালিক বলেই যিনি কয়েক সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশে আলোচনায় আছেন।
ধরা পরার পর ভারতীয় গণমাধ্যম তিনি বলেন, আমি সোহেল রানা বনানী থানা পুলিশ পরিদর্শক, আমি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম থানার মানব পাচারকারী কথিত বাবু নামের একজন কে দশ হাজার টাকা দিয়ে দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে কোন প্রকার ভিসা ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করি। ধরা পরার সময় ভারতীয় বিএস এফ তার কাছ থেকে থাইল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের ডেভিড কার্ড জব্দ করেন। তার পাসপোর্টে ভারতের ভিসা না থাকলেও ছিলো থাইল্যান্ড, ফ্রান্স , সৌদিআরব, চিনের ভিসা যুক্ত ছিলো।
সাম্প্রতি ই-অরেঞ্জের বিষয়টি প্রতারণায় আসলেও জানা যায় এ প্রতিষ্ঠানটির মালিক এই পুলিশ কর্মকর্তার আপন ছোট বোন সোনিয়া মেহজাবিন। তিনি নিজেই এই প্রতিষ্ঠানটি চালাতেন বলে জানা যায়। তাকে আটকাতে না পেরে দহগ্রাম তদন্ত পুলিশ ফাঁড়ি ও বিজিবি’র কর্মকর্তারা আফসোস করছেন বলে জানা গেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here