গরম জলেই ওজন কমে প্রায় ১২ কেজি!

0
328

পর্যাপ্ত জল খাওয়ার উপকারিতা অনেক৷ এবং স্রেফ জলেও যে ওজন কমে যায় অনেকখানি, এটাও প্রমাণিত৷ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যখনই জল তেষ্টা পাবে, ঈষত্‍ উষ্ণ গরম জল খেলে ১২ কেজি পর্যন্ত ওজন ঝরে যায় এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে৷

জলে ওজন কমাতে গেলে, যখনই তেষ্টা পাবে, গরম জল খেতে হবে৷মানব শরীরে ঠান্ডা ও গরম, দুই রকম জলের প্রভাব আলাদা৷ গরমে অনেকেই ফ্রিজের ঠান্ডা জল অনেকখানি খেয়ে নেন৷ এটা খুবই ক্ষতিকর৷

চিকিত্‍সা বিজ্ঞানীরা বলছেন, ঠান্ডা জল আসলে হজম শক্তি কমিয়ে দেয়৷ ফলে বদহজমের জেরে শরীরে মেদ জমতে থাকে দ্রুত৷ তাই হয় স্বাভাবিক তাপমাত্রার জল খান৷

ওজন কমাতে চাইলে সব সময়ই গরম জল৷মানব শরীরের তাপমাত্রার চেয়ে কম তাপমাত্রার জল খেলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য শরীরকে অনেক বেশি শক্তি ব্যয় করতে হয়৷ ফলে পুষ্টির ঘাটতি হতে শুরু কর দ্রুত৷ স্থুলতা সেই অপুষ্টির ফল৷

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, খাওয়ার সময় ফ্রিজের ঠান্ডা জল খেলে খাবারে থাকা চর্বি কঠিন আকার ধারণ করে পেটে গিয়ে৷ ফলে অনাবশ্যক চর্বি জমা হতে থাকে৷গরম জল খেলে শরীরের সব কিছু নিয়ন্ত্রণে থাকে৷

কিডনি তো ভাল থাকেই, হার্টও ভাল রাখে৷ ফলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক থাকে৷ভালভাবে কুলকুচিই রুখে দিতে পারে করোনা ভাইরাসকে ৷ তবে শুধু জলে নয়, ইষৎ উষ্ণ জলে সামান্য মাউথওয়াশ বা নিদেনপক্ষে শুধু মাউথওয়াশে ভালভাবে কুলকুচি করলেই মুখেই কোভিড ১৯-এর প্রভাব শেষ করে দেওয়া সম্ভব ৷

প্রতিদিনের ব্যবহারের এই সামান্য জিনিসই রুখে দেবে মারণ করোনার সংক্রমণ? নয়া গবেষণায় মেলা তথ্য উসকে দিচ্ছে এমনই জল্পনা ৷ মাউথওয়াশে থাকা কিছু উপাদানের মধ্যে করোনা ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারার ক্ষমতা রয়েছে ৷

জানাচ্ছে নয়া গবেষণা ৷সম্প্রতি ফাংশান জার্নালে প্রকাশিক এক গবেষণাপত্রের দাবি অনুযায়ী, কোভিড ১৯ ভাইরাসের অ্যাটাকের পর তা গলা এবং স্যালাইভারি গ্ল্যান্ডে প্রভাব বিস্তার করে ৷

SARS-CoV-2 ওনভল্পড ভাইরাসের বাইরের অংশের লিপিড মেমব্রেন রয়েছে ৷ এই লিপিড মেমব্রেনকেই নষ্ট করে দেওয়ার উপাদান রয়েছে মাউথওয়াশে ৷ মাউথওয়াশের মধ্যে থাকা পোভিডোন-আয়োডিন, ইথানল এবং সেটিলপাইরি ডিনিয়াম থাকে ৷

মাউথওয়াশ মুখে দিয়ে কুলকুচি করার পর মুখ দিয়ে করোনার সংক্রমণ শরীরে ছড়াতে আটকে দিতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন ৷ কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ভ্যালেরি ও’ডোনেল জানিয়েছেন, টেস্টটিউব গবেষণা ও ক্লিনিক্যাল সমীক্ষায় এটা প্রমাণিত যে ভাইরুসিডাল উপকরণ ভাইরাসের বাইরের লেয়ার নষ্ট করতে সক্ষম তাতে কোনও সন্দেহ নেই ৷

মাউথওয়াশের মধ্যে থাকা পোভিডোন-আয়োডিন, ইথানল এবংসেটিলপাইরিডিনিয়াম থাকে ৷ মাউথওয়াশ মুখে দিয়ে কুলকুচি করার পর মুখ দিয়ে করোনার সংক্রমণ শরীরে ছড়াতে আটকে দিতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন ৷

কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ভ্যালেরি ও’ডোনেল জানিয়েছেন, টেস্টটিউব গবেষণা ও ক্লিনিক্যাল সমীক্ষায় এটা প্রমাণিত যে ভাইরুসিডাল উপকরণ ভাইরাসের বাইরের লেয়ার নষ্ট করতে সক্ষম তাতে কোনও সন্দেহ নেই ৷

তবে মাউথওয়াশের এই সব উপাদান কতক্ষণ মুখের ভিতরে করোনা সঙ্গে যুদ্ধ চালা তে পারবে সেই নিয়ে এখনও কিছু নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হয়নি গবেষণা চলছে ৷এর আগে একবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও জানিয়েছিল, করোনা রুখতে মাউথওয়াশ ব্যবহারে লাভ হতে পারে ৷

তবে এর কোনও পরীক্ষিত প্রমাণ নেই ৷ মাউথওয়াশের ব্যবহারে মুখের লালায় মজুত মাইক্রোব মেরে ফেলা সম্ভব হয় ৷ তবে ১০০ শতাংশ নির্ভুল প্রমাণ এক্ষেত্রে এখনও মেলেনি ৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here