হাতীবান্ধা হাসপাতাল চত্ত্বরে পোড়ানো হলো ব্যবহার যোগ্য ঔষধ!

0
184
?
লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চত্ত্বরে পোড়ানো হলো বিপুল পরিমান ব্যবহার উপযোগি ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রী।
জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মান করে সরকার।
সেখানে বিনামুল্যে মানুষকে ঔষধসহ চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে সরকার। ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রী সরকারী ভাবেই প্রদান করা হয়। যা রেজিস্টারের মাধ্যমে ঔষধ ক্রয় ও বিতরন নির্ধারন করা হয়ে থাকে।
এর মাঝে যখন কোন ঔষধ মেয়াদ উত্তির্ন হয়ে যায় তখন কর্তৃপক্ষ তা বাছাই করে সিজার লিস্ট করে আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয়। আর রেজিস্টারে মেয়াদ উত্তীর্নের কারনও লিপিবদ্ধ করা হয়।
গত শুক্রবার(৭ জানুয়ারী) বিকেলে প্রায় এক বস্তা পরিমানের ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম হাসপাতাল চত্ত্বরেই আগুনে পুড়িয়ে ফেলেন পরিচ্ছন্নকর্মীরা। তবে এসব ঔষধ ব্যবহার উপযোগি।
প্রায় ঔষধের মেয়াদ রয়েছে ৩ মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত। ব্যাবহার উপযোগি এসব মুল্যবান ঔষধ কেন পুড়িয়ে ধ্বংস করা হলো তার সদুত্তর দিতে পারেনি হাসপাতাল-টির পরিচ্ছন্নকর্মীরা।
হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, হাসপাতালটির সংস্কার কাজ চলমান থাকায় ওষুধ রাখার স্টোর রুমটি সাময়িক সময়ের জন্য অন্য রুমে স্থান্তরিত করা হয়। তাই স্টোর রুমের আবর্জনাগুলো সড়িয়ে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
হাসপাতালের একটি নির্ভরযোগ্য সুত্রের দাবি, এখানে স্টোর রেজিস্টার ইচ্ছা মাফিক তৈরী করা হয়। ওষুধ আসার পরিমান যেমন কাগজ আর বাস্তবতায় অমিল।
অনুরুপ ভাবে রোগীদের মাঝে বিতরনেও কাগজ কলমের সাথে বাস্তবতায় অমিল থাকে। তাই ঔষধ সরকারের মুল্যবান সম্পদ হলেও তারা কাগজ কলম ঠিক রাখতে অতিরিক্ত ঔষধ র্উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের পরিদর্শনের  আগে এভাবেই সড়িয়ে আগুনে ধ্বংস করা হয়।
হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাঈম হাসান নয়ন বলেন, গত এক সপ্তাহে কোন ঔষধ মেয়াদ উত্তীর্নের সিজার লিস্ট হয়নি।
তবে স্টোর রুম পরিবর্তন করায় উক্ত রুমে আবর্জনাগুলো সড়িয়ে পোড়ানো হয়ে-ছে। সেখানে ব্যবহার যোগ্য ঔষধই নয়, মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধও থাকার কথা নয়। জানামতে হাসপাতালের স্টোরে কোন মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধ নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here