ঝিনাইদহের নারী কেলেংকারীতে জড়িত সেই ইমামের অডিও ক্লিপ ফাঁস !

0
84

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ- ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সাগন্না ইউ-নিয়নের সাগান্না আমের চারা বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদ এর ইমাম রবিউলের বিরুদ্ধে একাধিক নারী কেলেঙ্কারীর ঘটনায় বিভিন্ন দপ্তরে গ্রামবাসির গণসাক্ষর অভিযোগপত্র দাখীলের পর জেলা প্রসাশকের
নির্দেশক্রমে ঝিনাইদহ ইসলামী ফাউন্ডেশনের তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

৭ই জুন মঙ্গলবার অভিযুক্ত ইমাম রবিউল ইসলামকে ঘটনার কারন দর্শা তে নোটিস প্রদান করা হয়েছে বলে জানালেন ঝিনাইদহ ইসলামী ফাউন্ডে-শন কর্তৃপক্ষ।

তবে নিজের নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগের পাহাড় ঢাকতে আর ঝিনাইদহ ইসলামী ফাউন্ডেশনের তদন্তে নিজের মিথ্যা সাফাই গাইতে ৬ই জুন ইমাম রবিউল ইসলাম সাগান্না ইউপি চেয়ারম্যান জনাব মোজাম্মেল ও একই ইউপি মেম্বর রাজুর নামে এবার মিথ্যা কথার বুলি আউড়িয়ে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা একাংশের সাক্ষর করে নিচ্ছেন সাদা কাগজে।

ইতিমধ্যে এঘটনার একটি অডিও ক্লিপ থেকে পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে একা-ধিক নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগে অভিযুক্ত ইমাম রবিউল ইসলাম চেয়ার ম্যান জনাব মোজাম্মেল ও একই ইউপি মেম্বর রাজুর নাম করে তদন্তের দোহায় দিয়ে একজনের সাক্ষর আরেক জনকে করতে বলছেন।

যারা সাক্ষর করছেন তারা নিজেও জানেনা, সত্যিকার অর্থে অভিযুক্ত ইমাম রবিউল ইসলাম কি কারনে সাদা কাগজে তাদের স্বাক্ষর নিচ্ছেন।

অভিযুক্ত ইমাম রবিউল ইসলামের সাদা কাগজে ভুয়া সাক্ষর নেয়ার ঘটনায় এলাকাবাসির একাংশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে উক্ত ইমামের বিরুদ্ধে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত বিচার দাবী করেছেন।

এবিষয়ে সাগান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোজাম্মেল হক সাংবাদিক দের বলেন, আমার কাছে চারিত্রীক প্রত্যায়ন পত্র নিতে অভিযুক্ত ইমাম রবিউল ইসলাম এসেছিলেন। আমি দেইনি।

তিনি বলেন, আমার সন্দেহ তিনি যদি আমার স্বাক্ষর জাল করে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে প্রেরণ করে তাহলে আমি অভিযুক্ত ইমাম রবিউল ইস-লামের নামে মামলা করবো। এঘটনায় অভিযুক্ত ইমাম রবিউল ইসলামের মুঠোফোন বন্ধ থাকার কারনে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৫শে মে রবিবার ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সাগন্না ইউ-নিয়নের সাগান্না আমের চারা বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদ এর ইমাম রবিউলের বিরুদ্ধে একাধিক নারী কেলেঙ্কারীর ঘটনায় ঝিনাইদহ শহরের বিভিন্ন দপ্তরে গ্রামবাসি অভিযোগে পত্র দাখীল করেছেন। রবিউল ইসলাম সাগন্না ইউনিয়নের সাগান্না গ্রামের খেজমত আলীর ছেলে।

এঘটনায় সাগন্না ইউনিয়নের সাগান্না আমের চারা বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদ এর ইমাম রবিউলের বিরুদ্ধে এলাকাজুড়ে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

ইমাম রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক নারী কেলেঙ্কারীর ঘটনায় এলা-কার একাংশ আমজনতা সাগান্না আমের চারা বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদে নামাজ পড়তে অনিহা প্রকাশ করেছেন মর্মেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এবিষয়ে গ্রামবাসি সাগান্না আমেরা চারা বাইতুল মামুর জামে মসজিদ এর ইমামতি কার্যক্রম থেকে অপসারণ করে নতুন করে ইমাম নিয়োগ দিতে ঝিনাইদহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ইসলামী ফাউন্ডেশন ঝিনাইদহ ও ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক বরাবর গ্রণ সাক্ষর করে অভিযোগ পত্র দাখীল করেছেন।

গ্রামবাসী তাদের অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করে বলেন, আমরা ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সাগন্না ইউনিয়নের সাগান্না গ্রামের দক্ষিণপাড়া গ্রামের
শান্তিপ্রিয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। সাগান্না আমের চারা বাইতুল মামুর জামে
মসজিদে মোঃ রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ইমামতি করে আসছেন।

কিন্তু ইমাম মোঃ রবিউল ইসলামের নামে এলাকা জুড়ে ব্যাপক নারী কেলেংকারীর অভিযোগ থাকায় আমরা তার অপসারণ দাবী করছি। এবং নতুন করে ইমাম নিয়োগের জন্য আবেদন করছি।

মোঃ রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীর মধ্যে রয়েছে সাগন্না গ্রামের জৈনিক গৃহবধূর ঘরে ঢোকার পরে স্থানীয়রা তাকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন।

ঝিনাইদহ শহরের ইসলামী হাসপাতালে চাকুরী করাবস্থায় এক হিন্দু নার্সের সাথে তার কেলেংকারী ঘটনা ঘটে। এ খবর জানাজানি হলে ইসলামী হাস-পাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরি থেকে বহিস্কার করেন।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাজার গোপালপুর মাদ্রাসায় চাকুরী করাবস্থায় একই মাদ্রাসার শিক্ষিকার সাথে কোটচাঁদপুর আবসিক হোটেলেআপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের আটক করেন। সে সময় উক্ত সাগান্না আমের চারা বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদ এর বর্তমান সভাপতি তাকে উদ্ধার করেন।

এছাড়াও এলাকার চাঁদপুর মসজিদে ইমামতি করাকালীন তার বিরুদ্ধে একাধীক নারী কেলেংকারী অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়াও আমাদের জানা মতে সে জামায়াত শিবিরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত আছে।

এমতাবস্থায় এলাকাবাসী তার পিছনে নামাজ আদায় করতে চাই না।বিষয়টি এখনই তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষহওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

বর্তমান ইমাম মোঃ রবিউল ইসলামকে সাগান্না আমেরা চারা বাইতুল মামুর জামে মসজিদ এর ইমামতি কার্যক্রম থেকে অপসারণ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক নতুন করে ইমাম নিয়োগ দিতে এলাকা-বাসি জোরদাবী করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here