ঝিনাইদহে পাম্প মালিকদের মনগড়া মূল্য আদায়, হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা!

0
132

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ- ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলায় পানির মূল্য বৃদ্ধির কারণে বর্গা চাষীরা লোকসান গুনতে গুনতে ধানের আবাদ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। সে মোতাবেক ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা সেচ কমিটির পক্ষ থেকে পানির মূল্য নির্ধারন করার নিয়ম থাকলেও তা বাস্তবে নির্ধারন করা হয় না।

ফলে উপজেলার অধিকাংশ গভীর নলকুপের পরিচালক বা মালিকরা মন গড়া ভাবে পানির মূল্য নির্ধারন করে কৃষকের নিকট পানি বিক্রি করছে। সেচ কমিটির সঠিক নির্দেশনা ও মনিটরিং না থাকায় এমন অবস্থা হয়েছে বলে এলাকার অধিকাংশ কৃষকদের অভিযোগ।

কৃষকরা জানায়, চাঁচড়া পশ্চিম পাড়া সমবায় সমিতির নামে একটি গভীর নলকুপ স্থাপন করা হয় ৪৫ বছর আগে। এই নলকূপটি সমিতি পরিচালনা করতে ব্যর্থ হওয়ায় সমিতির সদস্যরা চাঁচড়া গ্রামের মোবাশে^র হোসেনের নিকট প্রত্যেকের শিয়ার বিক্রি করে দেয়। সেই থেকে মোবাশে^র হোসেন গভীর নলকূপটি ইচ্ছেমতো পরিচালনা করে আসছে।

কিন্তু কালীগঞ্জ উপজেলা সেচ কমিটির মনিটরিং না থাকায় প্রতি বছর ইরি মৌসুমে একর প্রতি ৯ হাজার টাকা চাষীদের নিকট থেকে আদায় করে আসছে। অপর দিকে চাঁচড়া গ্রামে আরো ২টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। ওই ২টি গভীর নলকূপের মালিকরাও একই ভাবে মনগড়া নিয়মে পানির মূল্য আদায় করে চলেছে।

টাকা কম নেওয়ার কথা বললে ভরা মৌসুমে পানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কালীগঞ্জ উপজেলা সেচ কমিটির তদারকি ও নির্দ্দেশনা না থাকায় উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অধিকাংশ গভীর নলকূপের পরিচালক ও মালিকরা ইচ্ছেমতো মনগড়া ভাবে পানির মূল্য
নির্ধারন করে নিরীহ চাষীদের নিকট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করে হাতিয়ে নিচ্ছে।

চাঁচড়া গ্রামের কৃষক জাকারিয়া হোসেন, শাহাজান আলী, আশাদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, আতিয়ার রহমান বলেন কালী গঞ্জ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে পানি বিক্রি করা হয় চাঁচড়া গ্রামের ৩টি গভীর নলকূপে। রীতি মত কৃষকদের জিম্মি করে গভীর নলকূপের মালিকরা অতিরিক্ত মূল্যে কৃষকদের নিকট থেকে পানির দাম আদায় করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here