Tuesday, October 20, 2020
Home অপরাধ জগত জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জালকারী সাইদুর শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের সভাপতি ॥ নানা গুঞ্জন-নানা প্রশ্ন

জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জালকারী সাইদুর শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের সভাপতি ॥ নানা গুঞ্জন-নানা প্রশ্ন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জালসহ নানা অনিয়মের সাথে জড়িত বালুগ্রাম আদর্শ কলেজের অব. অধ্যক্ষ মো. সাইদুর রহমানকে চাঁপাই নবাবগঞ্জের শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মনোনয়ন দেয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিক্ষানুরাগী ও সংশ্লিষ্ট প্রতি ষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের অধিকাংশ সদস্য ও প্রতিষ্ঠানের শুভাকাঙখীদের মাঝে নানা গুঞ্জন ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বালুগ্রাম কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমানকে নানাভাবে হয় রানী, হুমকী-ধামকী, কলেজের বিভিন্ন কাজে বাধা দানসহ অনেকটাই জিম্মি করে কলেজের পরিচালনায় প্রভাব সৃষ্টিরও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কলেজের ২ শিক্ষকের চাকুরী বরখাস্তের অভিযোগও পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিজের প্রভাব খাটাতে যে কোন পন্থা অবলম্বন করতে তিনি পিছপা হন না এমনও অভিযোগও রয়েছে।
রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাকসিস এর দায়িত্ব পালনকালে আয়-ব্যয়ের হিসেবের বিষয়েও নানা কথা। তবে, নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য কোন অনিয়ম বা পন্থা অবলম্বন করলেও তিনি সুকৌশলে সেটার দালিলিক কোন প্রমান রেখে যান না। যে কোন উপায়ে তিনি তাঁর কাজের কাগজপত্র সঠিক করেই সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। আর একারনেই তিনি যেন একজন অতিব পরিস্কার ও অভিজ্ঞ এবং সুন্দর মনের মানুষ বলে মনে করেন অনেকেই।
কিন্তু বাস্তবে উল্টো চরিত্রের অধিকারী তিনি, এমনই অনেক কথা বলছেন চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষানুরাগীরা। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তাঁর বিরুদ্ধে অনেক পুরোনো কথা তুলে সমাজে হেয় এবং মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছেন কিছু মানুষ বলেছেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ (বালুগ্রাম) মো. সাইদুর রহমান।
এমন একজন ব্যক্তিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সরকারী কলেজগুলোর পরেই যে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান, সেখানে সভাপতি পদে মনোনয়ন দেয়ায় অনেকটায় ক্ষুদ্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিক্ষানুরাগী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের অধি কাংশ সদস্য ও প্রতিষ্ঠানের শুভাকাঙখীরা।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মনিরু জ্জামান এর স্বাক্ষরিত ২৭ জুলাই/২০ এর একটি চিঠি সুত্রে জানা গেছে, মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের রীট পিটিশন নং-২৩০/২০১৭ এর ২৫/১১/২০১৯ তারিখের রায় মোতাবেক মাননীয় সংসদ সদস্যগণ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভূক্ত কলেজসমূহের গভর্নিং বডির সভাপতি থাকতে পারবেন না।
পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেয়া পর্যন্ত মাননীয় সংসদ সদস্যের স্থলে জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এই হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন গত ২৮জুলাই/২০২০ তারিখে।
সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহনের পর ৬ আগস্ট গভর্নিং বডির সদস্যদের নিয়ে কলেজের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা ও করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণও করা হয়। কিন্তু আকষ্মিক ১১ আগষ্ট/২০২০ আবারও একটি চিঠি আসে শাহনেয়া মতুল্লাহ কলেজের গভর্ণিং বডির সভাপতি পরিবর্তন করে আগামী ০৩/০১/২০২১ মেয়াদে অধ্যক্ষ সাইদুর রহমানকে সভাপতি মনোনয়ন দিয়ে।
তবে চিঠিতে বলা হয়, যে কোন সময় এই মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং নতুন মনোনয়ন দানের নিরংকুশ ক্ষমতা সংরক্ষন করেন জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর। এঘটনার পর থেকেই সারা শহর জুড়ে শুরু হয় নানা গুঞ্জন নানা প্রশ্ন। উঠে আসে বর্তমান সভাপতি মনোনয়ন দেয়া অধ্যক্ষ মো. সাইদুর রহমানের নানা কথা।
জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত‘নবাবগঞ্জ সাধারণ পাঠাগার’। সেখানে ১৯৯৩-৯৪ সালে এই পাঠাগারে পদাধিকার বলে সভাপতি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল্লাহ মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মো. সাইদুর রহমান।
নবাবগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারের সাধারণ সভা হয় পাঠাগার মিলনায়তনে গত ০৮/১১/১৯৯৩ তারিখে। সেই মিটিংএর রেজুলেশন করা হয়। উক্ত রেজুলশেন পরবর্তী মিটিং এ পঠন ও অনুমোদন করা হয়।  কিন্তু মো. সাইদুর রহমান ০৮/১১/১৯৯৩ তারিখের সেই মিটিংএর রেজুলেশনে নিজেই সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে অনুমোদন করে রেখে দেন।
এর পরেও কয়েকটি মিটিং হয় নবাবগঞ্জ সাধারন পাঠগারে। রেজুলেশন পঠন ও অনুমোদনও হয়, কিন্তু ০৮/১১/১৯৯৩ তারিখের সেই মিটিংএর রেজুলেশন বহিতে জেলা প্রশাসকের জাল স্বাক্ষরের বিষয়টি সন্দেহের বিষয়টি গত ৩০/০৭/১৯৯৪ তারিখের মিটিং এ তৎকালিন জেলা প্রশাসক মহোদয় তুলে ধরে তাৎক্ষনিক সভা স্থগিত করেন এবং সভায় স্বাক্ষর জালের বিষয়টি তদন্ত করে ৭ দিনের মধ্যে একটি প্রতিবেদন দাখিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
তদন্ত কমিটির রিপোর্টে জেলা প্রশাসক ও পাঠাগার সভাপতির স্বাক্ষর জাল প্রমানিত হয়। স্বাক্ষর জালকারী সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে নবাবগঞ্জ সাধারণ পাঠাগারের সকল নির্বাহী সদস্যের অনুরোধে জাল স্বাক্ষরের পাশে সঠিক স্বাক্ষর করা জন্য জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করা হয়। পরে সেখানে সঠিক স্বাক্ষর করে দেন জেলা প্রশাসক।
এদিকে, অব. অধ্যক্ষ মো. সাইদুর রহমানের সাবেক কলেজ বালুগ্রাম আদর্শ কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান অভিযোগ তুলে বলেছেন, তাঁর কলেজের কাজে বাধা দান, তাঁর অধ্যক্ষ পদের বেতন ভাতাদী (এমপিও) হতে নানা ষড়যন্ত্র করে প্রায় ১ বছর পার করিয়েছেন তিনি শুধু মাত্র তাঁর পছন্দের ব্যক্তি অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ না পাওয়ায়। তিনি একজন বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য হওয়ার জন্য
নানা ষড়যন্ত্র করেছেন, কিন্তু সেটা সফল হয়নি। তিনি প্রস্তাবও দিয়েছিলেন তাকে সাথে নিয়ে কলেজের সকল কাজ করার। কিন্তু তা না মানায় তিনি অনেক জটিলতা সৃষ্টি করেছেন কলেজের কাজে। এবারও তিনি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হওয়ার জন্য নানা ফন্দি করেছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়ে, কিন্তু সেটা সফল হয়নি।
তিনি কলেজের ২ জনের চাকুরীচ্যুতি করেছেন কোন এক অজ্ঞাত কারনে, নিজ স্বার্থ ও নিজ চ্যালেঞ্জ হাসিলের জন্য। মনোবিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক মো. রেজাউল করিম (মুকুল) এর চাকুরী পূনর্বহালের চিঠিকে গোপন করে নিজের চ্যালেঞ্জ ঠিক রাখতে পুনরায় চিঠিকে পরিবর্তন করে চাকুরীচ্যুত করেই তারপর ছেড়েছেন, নিজ স্বার্থের কারণে তাঁর ভাগনীর মেয়ের চাকুরীচ্যুতিও করেছেন।
এসব নানাভাবে বালুগ্রাম কলেজের কাজে বাধার সৃষ্টি করেছেন এবং বর্তমানে ও সেটা অব্যাহত আছে। শুধুমাত্র তাঁর কথা না শোনায় তিনি এসব কাজগুলো করেই চলেছেন। তবে তিনি এসব করে কোনভাবেই সফল হতে পারেন নি। এমন একজন খারাপ মনের বা প্রতিষ্ঠান বিরোধী, স্বার্থপর মানুষ কোন প্রতি ষ্ঠানের অভিভাবক হিসেবে আসে, তখন এমনিতেই গুঞ্জন বা নানা প্রশ্ন দেখা দিবে, এটাই স্বাভাবিক। তিনি আরও বলেন, এসব মানুষকে এড়িয়ে যাওয়াই প্রতিষ্ঠানের জন্যও ভালো, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যও
মঙ্গলজনক।
এব্যাপারে বালুগ্রাম আদর্শ কলেজের বরখাস্ত হওয়া মনোবিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক মো. রেজাউল করিম (মুকুল) বলেন, সম্পূর্ণভাবে আর্থিক সুবিধা লাভের আশায় আমার যোগদানপত্র পরিবর্তন করে অন্যজনকে সিনিয়র পদ ন্নোতি দেয়ার ষড়যন্ত্র করে যোগদানপত্রে সকাল ৯.০০টার পরিবর্তে সকাল ১০.০০টা লিখে আমার ফাইলে রাখা হয় এবং সেই ফাইল অধ্যক্ষের নিজ হেফাজতে রাখেন। সিনিয়র স্কেল অন্তর্ভূক্ত হওয়ার সময় হলেই বেরিয়ে আসে এই যোগদানপত্র পরিবর্তনের ঘটনা।
এভাবেই আমাকে পদন্নতি বঞ্চিত করা হয় এবং পরবর্তীতে এরই জের ধরে নানা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করা হয়। যদিও পরবর্তীতে আমার চাকুরী পূনর্বহালের জন্য চিঠি আসে, সেটিও তৎকালিন অধ্যক্ষ মো. সাইদুর রহমান ষড়যন্ত্র করে গোপন রাখেন। পরে ষড়যন্ত্র করে চিঠি পরিবর্তনের মাধ্যমে আমাকে বরখাস্ত করেই ছাড়েন তিনি।
এব্যাপারে কথা বলেন, শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের গভর্নিং বডির বর্তমান কয়েকজন সদস্য। তাঁরা বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে এমন একজন বিতর্কিত মানুষকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শহরের এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি কলেজে মনো নয়ন দেয়ায় এই প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে, শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হবে, প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রেও বাধা ও ক্ষতির সম্মুখিন হতে হবে কলেজের গভর্নিং বডির অন্যান্য অধিকাংশ সদস্যদেরকে।
প্রতিষ্ঠান সুভাকাঙখি নয়, নিজ স্বার্থের জন্য কিছু করে, এমন মানুষ এই প্রতিষ্ঠানের সার্বিক মঙ্গলের জন্য শুভকর নয়। আমরা এমন মানুষ সভাপতি হওয়ায় বিব্রত বোধ করছি। এছাড়া এত দ্রুত এবং বার বার সভাপতি পরিবর্তন কোন প্রতিষ্ঠানের জন্যই ভালো নয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সভাপতি মনোনয়ন দিয়েছেন। এখানে বলার কিছু নেই। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ভালো-মন্দের বিষয়টি আমাদের ভাবতে হচ্ছে।
এব্যাপারে অব. অধ্যক্ষ মো. সাইদুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগা যোগ করা হলে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো এসব অভিযোগ অস্বী কার করেন এবং বলেন, একটি মহল তার সফলতা দেখে সম্পূর্ণ ইশ্বান্বিত হয়ে এসব মিথ্যা, বানোয়াট, মনগড়া পুরোনো কথাবার্তা প্রচার করছেন। জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জালের বিষয়টি একটি ষড়যন্ত্র।
আমাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেয়ার একটা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলাম আমি। এটা বুঝেই তাৎক্ষনিক আমি পদত্যাগ করে চলে আসি। বালুগ্রাম কলেজের ভালোর জন্যই আমি সবকিছু করেছি। বালুগ্রাম আদর্শ কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদানের পর অনেক কষ্ট করে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছি। সেখানে মনোবিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক মো. রেজাউল করিম শিক্ষকের চাকুরী বরখাস্তের বিষয়টি অধ্যক্ষের একার বিষয় নয়, গভর্নিং বডির সদস্যগণ ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রক্রিয়া শেষে ওই
শিক্ষকের চাকুরী স্থায়ীভাবে বরখাস্ত হয়।
তাঁর যোগদান পত্র পরিবর্তন বা পদন্নতি এবং সিনিয়র স্কেল না পাওয়ার জন্য ওই শিক্ষক নিজেই দায়ী। এছাড়া ওই শিক্ষক যেসব অভিযোগ করেছেন, সেটা ও মনগড়া। তিনি বর্তমান অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমানের অভিযোগের বিষয়গুলো অস্বীকার করে বলেন, যেহেতু আমি দীর্ঘদিন ওই কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে ছিলাম।
সেই থেকেই প্রতিষ্ঠানের ভালো কিছু করার জন্যই পাশে থাকতে চেয়েছিলাম। এছাড়া অন্য কিছু নয়। প্রতিষ্ঠানের প্রতি মায়া-মহব্বত থেকেই সেখানেই সভা পতি হিসেবে মনোনয়ন নেয়ার জন্যও মানষিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু সেটা না হয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ আমাকে শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের সভাপতি মনোনয়ন দিয়েছেন।
এজন্যই নানা কথা অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে হেও করা এবং সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছেন অনেকেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

কুমিল্লায় ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনে সংঘর্ষ !

কুমিল্লায় বরুড়ায় আদ্রা ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ‌্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে ভোট শুরুর...

শেরপুরে মাকে পুড়িয়ে হত্যা করল ছেলে !

মাকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে হানিফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হানিফের মামা দুলাল মিয়া শেরপুরের  শ্রীবরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। নিহত হনুফা...

হাজারো তরুণের স্বপ্নের রাণী পরী !

হাজারো তরুণের স্বপ্নের রাণী হলেন ঢাকা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি। ১৯৯২ সালের ২৪শে অক্টেবর সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহন করেন। বাবার নাম মনিরুল ইসলাম ও মাযের নাম...

ফের হার ধোনির দলের, ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতল রাজস্থান!

আবু ধাবির শেখ জায়েদ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস। টুর্নামেন্টে টিকে থাকার জন্য দুটি দলের কাছে এই ম্যাচ...

Recent Comments