কোচবিহারের মাথাভাঙায় গুলিতে ৪ জনের মৃত্যু, তৃণমূলের ক্ষোভ

0
60
কোচবিহারের মাথাভাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনায় নির্বাচন কমিশন কী ব্যবস্থা নিচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।
শনিবার দুপুরের পর ডেরেক ও ‘ব্রায়েন, সৌগত রায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেনরা পৌঁছে যান কমিশনের দপ্তরে। প্রায় আধঘণ্টা নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন তাঁরা। বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে তাঁরা মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে যাবতীয় অভিযোগ, ক্ষোভ উগরে দেন। রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের কী ভূমিকা হওয়া উচিত, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা।
একুশে বঙ্গের ভোটে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে রক্তাক্ত নির্বাচন চলছে। সকাল থেকে শুধুমাত্র কোচবিহার জেলাতেই মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। এর মধ্যে শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রের মাথাভাঙা ফাঁড়ি এলাকায় জনসমাগম ও অশান্তি এড়াতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জন।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দোষারোপের পাশাপাশি রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে। বাহিনী অতিসক্রিয় বলে আগেই দাবি করেছিল তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার শীতলকুচির ঘটনাকে তার প্রমাণ হিসেবে দাখিল করছেন তাঁরা। এ নিয়েই শনিবার দুপুরের পর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূলের ৫ প্রতিনিধি।
সাংসদ সৌগত রায়ের অভিযোগ, ”গত তিন দফা ভোটে এ নিয়ে মোট ১৫৮ টি রাজনৈতিক অশান্তি ও নিয়মভঙ্গের অভিযোগ দায়ের করেছি কমিশনে। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। আজকের ঘটনা নিয়ে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন, তা জানতে এসেছি। নির্বাচনী আধিকারির আরিজ আফতাবকে সব জানালাম।
মমতা CAPF’এর বিরুদ্ধে কিছু বললে, কমিশন শোকজ করতে পারে আর মোদি-শাহ এত কিছু বলছেন, কেন তাঁদের শোকজ করা হচ্ছে না?” সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ”বিনা প্ররোচনায় গুলি চালিয়ে ৪ নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।” ঘটনা নিয়ে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
এ নিয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া, ”সিইও-কে বলেছি, শুধু এভাবে রিপোর্ট তলব করা কিংবা চিঠি দিল্লিতে ফরওয়ার্ড করে দেওয়াই আপনার কাজের সীমা নয়। নিজেও কিছু করুন।” (কলিকাতা নিউজ)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here