নারায়ণগঞ্জ বন্দরে প্রকাশে চলছে অবৈধ জ্বালানি তেলের ব্যবসা !

0
179
মো: সহিদুল ইসলাম শিপু: নারায়ণগঞ্জ বন্দরে প্রকাশে চলছে অবৈধ জ্বালানি তেলের ব্যবসা। সরকারি অনুমোদন ছাড়াই বন্দরে প্রায় কয়েশত অবৈধ জ্বালানি তেলের দোকান বসিয়ে অর্থলোভি ব্যক্তিরা ব্যবসা করছে, প্রশাসন তা দেখেও নিরব।
সচেতন মহলের ধারনা অবৈধ জ্বালানি তেলের দোকানের ফলে পরিবেশ দূষনসহ বেশির ভাগ অগ্নি কান্ডের কারন এই জ্বালানি তেলেন দোকান। পেট্রোলিয়াম এ্যক্ট, ১৯৩৪ ও তদধীন প্রনীত বিধিমালার শর্তাবলী অনুসারে কোন অবস্থাতেই প্রতিষ্ঠাকালের অনুমোদিত নকশা বিহীন এবং বিষ্ফোরক লাইসেন্স বিহীন অননুমোদিত স্থানে বা আবাসিক এলাকায় জ্বালানি তেলের ডিপো বা দোকান স্থাপন করা যাবে না।
পেট্রোল-ডিজেলের ব্যবসার জন্য বিস্ফোরক পরিদপ্তরের পূর্ণ অনুমতি নেওয়া বাধ্যতা মূলক। অথচ বন্দরে মোদির দোকানসহ বিভিন্ন দোকান গুলতে এই জ্বালানি তেলের ব্যবসা করে যাচ্ছে সাধারন ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে এমনকি কোন কাগজপএ ছাড়াই।
৪ আগস্ট (বুধবার) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বন্দর বাসস্ট্যান্ড, রুপালীগেট, ফেরা জিকান্দা বাসস্ট্যান্ড, মদনগঞ্জ বাসস্ট্যাান্ড, নবীগঞ্জ বাসষ্ট্যান্ড, কলান্দী বাসস্ট্যান্ড, দাশেরগাও বাসস্ট্যান্ড, লক্ষন খোলা বাসস্ট্যান্ড, ধামগড় ইস্পাহানি বাজার, কুরিপাড়া, ফুলহর, মদনপুর সহ বিভিন্ন রাস্তার পাশে অস্থায়ী ও স্থায়ী অবৈধ জ্বালানি তেলের দোকান দেখা যায়। এছারাও বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় বিক্রি হচ্ছে এ জ্বালানি তেল।
এর মধ্যে বেশ কয়েকটি দোকানে দেখা যায় ভূয়া অনুমোদনের ডিলার ও এজেন্ট এর স্টিকার যুক্ত সাইন বোড লাগিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে। অবৈধ দোকান গুলোতে তেল সংগ্রহ পদ্ধতি ও ঝুকিপূর্ণ। মালবাহি ট্রাক, প্রাইভেটকার, নসিমন ও মোটরসাইকেল চালকদের কাছে এই তেলের বেশ কদর রয়েছে।
এব্যাপারে বন্দর থানার অফিসার ইনর্চাজ দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, বন্দরে অবৈধ জ্বালানি তেলের দোকান আছে আমার জানা নেই। আমি দ্রুত এই ধরনের অবৈধ দোকানদারদের ব্যবস্থা নেব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here