“পেটটা তো অনেক বড় করলেন, এবার মনটাকে বড় করুন” !

0
153
দিনে দিনে আপনার পেটের অবস্থা এমন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যে, শরীরের নিচের অংশ এখন আর নিজের চোখে দেখতে পারেন না, তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা বস্তুর সাহায্যে কিছুটা অনুধাবন করতে পারেন। বুঝতে পারছেন তো, নিজ সক্ষমতার পরিধি কিভাবে আজ সংকুচিত হয়েছে, মনের সংকীর্ণতা গিয়েছে বেড়ে?
আপনার বৃহদাকার পেট শুধু আপনার স্বাভাবিক জনজীবনকেই বিপন্ন করেনি বরং আশেপাশের মানুষের সুখী ও সুন্দর জীবনযাত্রায় পেরেক ঠুকে দিয়েছে। তাই আজই স্বার্থপরতার খোলস থেকে নিজেকে উন্মুক্ত করে জীবনের জয়গানে নিজের নামটি অন্তর্ভুক্ত করুন, নিজেকে উৎসর্গ করুন মানব কল্যানে। কারণঃ গড় আয়ুষ্কাল হিসাবে, বর্তমানে আমরা হাতে খুব বেশি সময় পাই না।
আল্লাহর দেয়া জীবনটাকে তো নিজের স্বার্থে, আপন রঙে রাঙিয়ে উপভোগ করলেন। এবার না হয় কিছুটা বিশ্রাম নিন। এতে করে পরবর্তী প্রজন্ম সুশৃঙ্খল জীবনবোধ সম্পর্কে শিখতে পারবে, এটা তাদের অধিকার।
সুযোগ তৈরি করে দিন, প্রয়োজনে আপনি আপনার অবস্থান থেকে কিছুটা সরে দাড়ান, এতে আপনার তেমন কোন ক্ষতি হবে না বরং ভবিষ্যৎ পৃথিবীর মানুষ আপনাকে, আপনার কাজকে শ্রদ্ধা চিত্তে স্মরণ করবে। তখন অন্তত জীবনের একটা মানে খুঁজে পাবেন।
ধনী-গরিব, সফলতা-ব্যর্থতা, কালো-ফর্সা, দক্ষ – অদক্ষ, মেধাবী-কম মেধাবী এবং প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির সকল হিসাব একদিন চুকে যায়, এটা সবাই জানে। সময়ের কাছে আমরা সবাই অসহায়। তারপরও আমাদের সামনে এগিয়ে চলার প্রতিযোগিতায় আমরা থেমে নেই, অন্যায় করে হলেও স্বার্থ চরিতার্থ করতে আমরা সিদ্ধহস্ত।
বিশেষ সুবিধা কিংবা কোটা ভুক্ত হয়ে বিশেষ আসনে আসীন হতে আমাদের কোন লজ্জা নেই, স্বীকার করতে গেলেই যত লজ্জা! হায়, আফসোস! স্বার্থপরতার হাতে বার বারই হেরেছে কৃতজ্ঞতাবোধ!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here