শারদীয় দূর্গোৎসবের শুরু ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবছর ১৩৬টি পুজো মন্ডপে প্রতিমা

0
123
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ শুরু হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গো ৎসব। ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ষষ্ঠাব্দী কল্পারম্ভ দিয়ে শুরু হয় উৎসবের। এবছর জেলার ১৩৬টি পুজো মন্ডপে শোভা পাচ্ছে প্রতিমা। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৫৭টি, শিবগঞ্জে ৩৫টি, গোমস্তাপুরে ২৯টি, নাচোলে ১২টি ও ভোলাহাটে ৩টি মন্ডপে প্রতিমা শোভা পাচ্ছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন মন্দিরে নানান রঙের কাপড় দিয়ে প্যান্ডেল সাজানো হয়েছে। নেয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জেলার সকল মন্ডপে নিরাপত্তা কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
এবার দেবী দোলায় আগমন ঘটবে এবং ফিরে যাবে গজে। ২৩ অক্টোবর সপ্তমী, ২৪ অক্টোবর মহাঅষ্টমী, ২৫ অক্টোবর মহানবমী এবং ২৬ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে দূর্গোৎসবের শেষ হবে। করোনা সতর্কতায় হাত ধোয়া, মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্য বিধি মেনে যেন ধর্মপ্রাণ হিন্দু নারী-পুরুষ মন্ডপে প্রবেশ করে পুজা অর্চনা করতে পারে সেজন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে। তবে করোনা মহামারী কিছুটা বাধ সেধেছে।
পুজোয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া মুখপাত্র মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান পিপিএম জানান, সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক জেলায় পুজো মন্ডপগুলোকে কয়েকটি ক্লাস্টারে ভাগ করা হয়েছে। জেলায় মোট ৫৯টি বিট রয়েছে। পুজা মন্ডপ ভিত্তিক বিবেচনা করে আইনশৃঙ্খলা বাহীনির সদস্যদের দায়িত্ব দিয়ে জেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ ও চরজোতপ্রতাপ দূর্গামাতা ঠাকুরানি মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক অজিত কুমার দাস জানান, এবার করোনার মধ্যেও যেন সুন্দরভাবে দূর্গোৎসব পালন করতে পারে সকলেই, সে জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে বাড়তি আয়োজন এবার নেই। তাছাড়া যতটুকু সতর্ক থাকা যায়, সে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আশাকরি এবারের পরিবেশ পূজা অন্যরকম হলেও সুষ্ঠভাবে শেষ করতে পারব।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় চ্যাটার্জি জানান, জেলার সদর উপজেলায় ৫৭টি, শিবগঞ্জে ৩৫টি, গোমস্তাপুরে ২৯ টি, নাচোলে ১২টি ও ভোলাহাটে ৩টি মন্ডপে প্রতিমা শোভা পাচ্ছে।
সরকারি নির্দেশনা রয়েছে রাত ৯টার মধ্যে পূজা-অর্চনা শেষ করার। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এবার শোভাযাত্রা ছাড়াই স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হবে। সুষ্ঠুভাবে দূর্গোৎসব পালন করবে জেলা ধর্মপ্রাণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষসহ জেলার অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোকজন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here